ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

একজন টিউনারের ভাইরাস বিষয়ক একটি প্রশ্নের উত্তর

গতকাল রাতে মেইল চেক করতে গিয়ে দেখতে পাই, একজন টিউনার ভাইরাস বিষয় নিয়ে খুব সমস্যায় পরছেন এবং সেই সমস্যার সমাধানের জন্য মেইল করেছেন। উনার সমস্যাটি হল, তিনি একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করেছেন যার সাহায্যে ফ্রী SMS পাঠানো যায়। কিন্তু ৩০-৪০ টা SMS পাঠানোর পর উনার কম্পিউটারে ইন্সটল করা এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারটি SMS পাঠানোর সফটওয়্যারটিকে ভাইরাস হিসেবে গণ্য করে।

ADs by Techtunes ADs

এই বিষয় অর্থাৎ এন্টি ভাইরাস নিয়ে একটি টিউন করব তা অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে টিউন করতে সাহস পাচ্ছিলাম না। কেননা, আমার মতামত অনেকে গ্রহণ নাও করতে পারেন। কিন্তু আজকে মনের মধ্যে অনেক সাহস নিয়ে এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ও টিউনারের সমস্যার সমাধান নিয়ে টিউন করতে বসলাম।

এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার কেন ব্যবহার করি?

প্রথমে আমাদেরকে জানতে হবে যে, আমরা কেন এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি? হ্যা! কম্পিউটারকে ভাইরাস নামক প্রোগ্রামের হাত থেকে বাচানোর জন্যই এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা। কিন্তু এই বিষয়টি কী নিশ্চিত যে, আপনি এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে যে ফাইলটি ইন্টারনেট হতে ডাউনলোড করছেন অথবা কোন সিডি হতে কপি করছেন তা কী আজও ভাইরাস মুক্ত? যদি এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারটি নিজেই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে কিভাবে সে অন্য সব ভাইরাসদের ধমণ করবে। তবে এই কথা ঠিক যে, এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইট হতে ডাউনলোড করলে তা মূলত ভাইরাস মুক্তই হয়।

আমাদের ব্যবহৃত এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো মূলত ফ্রী ভার্সন

আপনি কী জানেন, একটি সাধারণ এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের মূল্য প্রায় আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটারটির মূল্যের সমান? তাহলে আপনি হয়ত বলবেন, আমরা যে সব এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো ইন্টারনেট হতে ডাউনলোড করি তা তো একদম ফ্রী। হ্যা! এটা সত্য যে আপনি যে সকল এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো ইন্টারনেট হতে ডাউনলোড করেন তা একদম বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। একবার চিন্তা করুন তো, ২০-৩০ অথবা তারো বেশী কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা কেন ফ্রীভাবে সবাইকে এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার প্রদান করবে? বর্তমান সময়ে বিনা স্বার্থে কাজ করে এমন ব্যাক্তি খুজে পাওয়া খুবই জটিল এমনকি এটা অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব। তারা আপনাকে ফ্রী ভার্সন প্রদান করছে যেন, আপনি এই ফ্রী ভার্সন ব্যবহার করে বুঝতে পারেন সফটওয়্যারটি দিয়ে কিভাবে কাজ করতে হয়। সফটওয়্যারটির নমুনা কেমন ইত্যাদ ইত্যাদি। আর আমরা মূলত এই সব ফ্রী ভার্সনকে ব্যবহার করি কম্পিউটার হতে ভাইরাস দূর করার জন্য। কিন্তু এই কথা নিশ্চিত যে, কোন ফ্রী ভার্সনই পরিপূর্ণভাবে তার কাজ সমাধান করতে পারে না। কেননা এই সব ভার্সনে পরিপূর্ণ কোড দেওয়া থাকে না। আর সব চেয়ে বড় কথা হল এই সব ভার্সন মূলত ৭ দিনের মত ভালভাবে কাজ সমাধান করতে পারে। কেননা এই সব ফ্রী সফটওয়্যারের মূলত একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের হয় আর এই মেয়াদ মূলত ৩-৭ দিনের মধ্যে। তবে কিছু কিছু সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে ব্যথিক্রমও রয়েছে।

এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা

আমরা মূলত জানি যে, কম্পিউটারে একটি এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার যুক্ত থাকলেই কম্পিউটারটি সম্পূর্ণ ভাইরাস মুক্ত। কিন্তু পৃথীবেতে কী কম্পিউটার ভাইরাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট? না পৃথীবিতে ভাইরাসের পরিমাণ কখনই নির্দিষ্ট নয়। মূলত যে সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটারের ক্ষতি করে তাদেরকেই কম্পিউটার ভাইরাস বলে। আর আপনি চাইলে নিজেও কিছু নিয়ম মেনে ভাইরাস তৈরী করতে পারেন। এমনকি আমি নিজেও ভাইরাস তৈরী করতে পারি। তাহলে কিভাবে এই সব এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার আপনার ভাইরাসটির সন্ধান পাবে? আর এভাবে প্রতিদিনই হাজার হাজার কম্পিউটার ভাইরাস তৈরী হচ্ছে। আর এই সব হাজার হাজার ভাইরাসের মধ্যে কিছু কিছু ভাইরাস দূর করার কোড যুক্ত হচ্ছে এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলোতে। তাই এই কথা বলা যায় যে, আপনি যদি আপনার এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারটিকে নিয়মিত আপডেট দেন তাহলেও আপনার কম্পিউটার যে পরিপূর্ণভাবে ভাইরাস হতে মুক্ত তা বলতে পারবেন না। কেননা এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো সকল ভাইরাস সমন্ধে অবগত নয়।

কেন একটি সফটওয়্যার কিছু দিন ব্যবহারের পর এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার তাকে ভাইরাস হিসেবে গণ্য করে

আমি আগেই বলেছি সকল ফ্রী ভার্সনই একটি নির্দিষ্ট সময় সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। এই নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হবার পর সে তার কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে অথবা অনেকটা কমে যায়। তবে ঐ সফটওয়্যারটির মালিক চাইলে ফ্রী ভার্সনগুলোকেই পরিপূর্ণ ক্ষমতা দিতে পারে। কিন্তু তারা যে ফ্রী ভার্সনগুলোকে পরিপূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করবে না এটা স্বাভাবিক। ফ্রী ভার্সনগুলোতে মূলত For…Next কোড ব্যবহার করা হয়। যার ফলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর ঐ সফটওয়্যারটি কাজ করার ক্ষমতা অনেক ক্ষেত্রে হারিয়ে ফেলে। এমনকি অনেক সময় প্রোগ্রামরা এই For…Next এ এমন সব কমান্ড যুক্ত করে দেন যা কম্পিউটারের জন্য অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। প্রোগ্রামাররা কেন এই সব ক্ষতিকর কোড যুক্ত করেন? এটা খুবই স্বাভাবিক। কেননা সে অনেক পরিশ্রমের মাধ্যমে সফটওয়্যারটি তৈরী করেছে। এখন কেউ বিনা মূল্যে তার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করবে তা হতে পারে না। তাই সে এমনভাবে কোডিং করে যে একটি নির্দিষ্ট সময় পর অথবা একটি নির্দিষ্টবার কাজ করার পর সফটওয়্যারটি মূলত ভাইরাসে পরিণত হবে। আর তখন যদি কোন এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ইন্সটল তাকে তাহলে এটি ঐ সফটওয়্যারটিকে ভাইরাস হিসেবে গণ্য করে। তবে এই কথা নিশ্চিত যে, নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করার পর সফটওয়্যারটি যদি ভাইরাসেও পরিণত হয় তাহলেও তা খুব জটিল ভাইরাস হয় না। কেননা প্রোগ্রামারদের মধ্যেও মানবতাবোধ রয়েছে। কেউ চান না, অন্য একজন তার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। তবে এটি মূলত প্রোগ্রামারদের নিজস্ব মানসিকতার ব্যাপার।

বর্তমান অবস্থায় কী করণীয়

হ্যা! এটি হল মূল কথা। বর্তমান অবস্থায় কী করণীয়? ভাইরাসের জন্য আমরা মূলত ফ্রী এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের উপর নির্ভরশীল। তবে আমার মতামত এভাবে ফ্রী এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের উপর নির্ভরশীল হওয়াটা ঠিক নয়। কেননা এটি ফ্রী সফটওয়্যার। তাই এই সব ফ্রী এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের উপর নির্ভরশীল হবার কোন প্রয়োজন নেই। তবে যদি একান্তই ফ্রী এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চান তাহলে নিয়মিত সফটওয়্যারটিকে আপডেট করুন। আর আপনার কম্পিউটারে যদি ইন্টারনেট যুক্ত না তাকে এবং কোন পেনড্রাইভ অথবা মোবাইলে কম্পিউটারে সংযুক্ত না করেন তাহলে এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারের কোন প্রয়োজনই নেই। এছাড়া অন্য একটি টিউনে বলেছিলাম, Winrar দিয়ে ভাইরাস চেক করার নিয়ম। তাই যখন কোন ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করবেন তখন ঐ ডিভাইসটি প্রথমে winrar দিয়ে চেক করবেন। এছাড়া যদি কোন ফ্রী সফটওয়্যার নির্দিষ্ট মেয়াদের হয় তাহলে ঐ মেয়াদ অতিক্রম করার পর সফটওয়্যারটি কম্পিউটার হত মুছে ফেলুন এবং পরবর্তীতে আবার ইন্সটল করুন। যখনই কম্পিউটারে কোন অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ করবেন তখনই পূর্ববর্তী সময়ে কম্পিউটারকে রিস্টর করুন System Restore ব্যবহার করে। আর কম্পিউটার যদি খুব বেশী সমস্যা করে তাহলে আপনার অপারেটিং সিস্টেমকে আবার ইন্সটল করুন। সাধারণত এই সব বিষয়ের দিকে নজর দিলেই আপনি কম্পিউটার ভাইরাস সমস্যা হতে রেহার পেতে পারবেন বলে আমি মনে করি।

টিউনারের প্রশ্নের উত্তর

হ্যা! ভাইয়া আমি আপনার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করেছি। কিন্তু আমি তা চালু করতে পারি নাই। কারণ তা চালু করতে গেলে ইরর প্রদর্শন করে। এই সফটওয়্যারটি আপনি অন্য কোন ওয়েব সাইট হতে ডাউনলোড করতে চেষ্টা করুন। এবং দেখুন কাজ হয় কী না। আর আপনার এন্টি ভাইরাসটি যদি ফ্রী হয় তাহলে আমার মনে হয় না ঐ এন্টিভাইরাসটির উপর নির্ভর হওয়া আপনার ঠিক হবে। আশা করি আপনি আপনার সমস্যার সমাধান পেয়েছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

জানি না এই লিখাটি আপনাদের ভাল লাগবে কী না? তবে এই লিখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

কম্পিউটার বিষয়ক টিপসের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন http://www.tfortechnic.blogspot.com

ADs by Techtunes ADs

অনলাইনে আয় সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে ভিজিট করুন http://www.earnfrombangladesh.tk তে

ADs by Techtunes ADs
Level 0

আমি ফাগুন রেইন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 10 বছর 11 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 46 টি টিউন ও 401 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

প্রযুক্তির সাথে আপডেটেড থাকতে চাই। কখনও সফল আর কখনো...। বেসিকালী ওয়েব ডেভলাপমেন্ট এবং উইন্ডোজ ফোন এপস নিয়ে কাজ করা হয়।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

ভাল লাগল আপনার লিখাটি পড়ে,ধন্যবাদ।

আপনার মতামত আমার ভাল লেগেছে।তবে আপনি আপনার লেখাতে লাইসেন্স করা Anti virus সম্পকে কিছু লিখেন নাই ।এ ব্যাপারে আপনার মতামত আশা করি।

    হ্যা! লাইসেন্স করা সফটওয়্যারগুলো কাজের হয় তবে নিয়মিত আপডেট করতে হবে। তবে তারপরও আপনি নিশ্চিতভাবে বলতে পারবেন না যে, আপনার কম্পিউটার ভাইরাস হতে মুক্ত। কেননা পৃথীবিতে ভাইরাসের পরিমাণ অসংখ্য

উনি টিউনার না। ওনি ভিজিটর। নাম শাকিল আরেফিন। আমাকেও ইমেইল করেছিলেন ওনি। আমি বলেছি সাহায্য টিউন করতে। এর পর টিউন করার নিয়মাবলী জানতে চাইলে, টিউন করার ব্যাপারে সাহায্য করেছিলাম।
তুমিতো ওনার কথা মত সফটওয়্যার টা ডাউনলোড করেছ, আর আমি ডাউনলোড করি নি। জানো কি ভেবে ডাউনলোড করি নি?
আসলে বেশি নেগেটিভ মাইন্ডে চিন্তা করলে অনেক সমস্যা হয়। আমারও তাই হয়েছে। আমি ভেবেছি এটা স্পাইওয়ার জাতীয় কিছু হতে পারে। কারণ আমি ভেবেই পাচ্ছিলাম না ৩০-৪০ টা sms পাঠানোর পর কেন ভাইরাস দেখাবে। ভাইরাস দেখালেতো প্রথমেই দেখাত। এরপর ওনি বলেছেন, এটি চালাতে মাইক্রোসফট ফ্রেমওয়ার্ক লাগে এবং ডাউনলোড লিঙ্ক দিলেন। আমি ভাবলাম, ” হ্যাকার সাহেব কি আমাকে সব নিয়ম বলে দিয়ে স্পাইওয়ার ডাউনলোড করার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে নাকি।”
তবে আমার চিন্তা গুলো ওনাকে ইচ্ছে করেই বলি নি।

    হ্যা! এটাও হতে পারে মানে কিছু সময় পর ভাইরাস প্রদর্শন করবে। আর আমি ডাউনলোড করেছি এবং চালাতে চেষ্টাও করেছি কেননা আমার কম্পিউটারে খুব বেশী প্রয়োজনীয় কোন ফাইলে নাই। আর যে সকল প্রয়োজনীয় ফাইল রয়েছে তাও পাসওয়ার্ড দেয়া। তবে ভাই তোমার কথা ঠিকা, নেগেটিভ ভাবলে নেগেটিভ আর পজেটিভ ভাবলে পজেটিভ।

    ফাগুন রেইন ভাই এটি চালাতে মাইক্রোসফট ফ্রেমওয়ার্ক লাগবে তাই মনে হয় এরর দেখাচ্ছে।
    “সব কিছুর জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, এমনকি মৃত্যুর জন্যও” ভাইয়ের কমেন্ট থেকে জানতে পারলাম।

    হুম…………….

Level 0

তিনি একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করেছেন যার সাহায্যে ফ্রী SMS পাঠানো যায়।……………..software tar nam ki bolem pls….ekta kajer kaj kobe??????

Level 0

******তিনি একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করেছেন যার সাহায্যে ফ্রী SMS পাঠানো যায়।……………..software tar nam ki bolen pls….ekta kajer kaj hobe 😀

অনেক গুলু জিনিস জানতে পারলাম আপনার টিউন থেকে,সুন্দর টিউন ধন্যবাদ আপনাকে।

ব্যপারটা বুজলাম না… আমি
(সব কিছুর জন্য প্রস্তুত হচ্ছি, এমনকি মৃত্যুর জন্যও says:
১২ জুন, ২০১০ at 8:43 অপরাহ্ন
ওনি আমাকে ইমেইলে এই লিঙ্কটি পাঠিয়েছিলেন।
http://www.mediafire.com/?ed0my51lyvd)…।
ক্লিক করলাম…আর আমার এন্টি ভাইরাস সংগে সংগে লিঙ্কটি ব্লক করে দিয়েছে… threats detected and the link is bloked…

    ব্যাপারটা আর কিছুই না। আপনি যদি আমার উপরের লেখা গুলো পড়তেন তাহলে কিছুটা বুঝতেন। আর ফাগুন রেইন এর এই টিউনের প্রথম লেখা গুলো পড়েন।
    ভিজিটর শাকিল আরেফিন(আমাদের মহামান্য টিউনার শাকিল আরেফিন ভাই নয় ) আমাকে বলেছিলেন যে free sms 0.1.1.2 সফটওয়্যার দিয়ে ৩০-৪০ sms পাঠানোর পর এভিরা ভাইরাস হিসেবে ধরে নেয়। পরবর্তীতে uninstall করে install করে কাজ চালানো লাগে। আমি ভেবেই পাচ্ছিলাম না ৩০-৪০ টা sms পাঠানোর পর কেন ভাইরাস দেখাবে। ভাইরাস দেখালেতো প্রথমেই দেখাত।
    ওনি সফটওয়্যার এর লিঙ্কটা ও আমাকে দিয়েছেন । সেই লিঙ্ক ЯOBAYETH ভাই জানতে চেয়েছেন।
    আপনার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে আপনি ডাউনলোড করার সাথে সাথে ভাইরাস হিসেবে ধরে নেয় এবং লিঙ্ক ব্লক করা হয়েছে। আর এভিরার ক্ষেত্রে ৪০ টা sms সেন্ড করার পর ভাইরাস হিসেবে ধরে।

    এখন কথা হল , এই ১৪ কিলোবাইটের সফটওয়্যার এ এমন কি আছে, যার জন্য এন্টিভাইরাস এটাকে ভাইরাস হিসেবে ধরে। আর আমি জানি না ১৪ Kb এর সফটওয়্যার দিয়ে কি একটা ফ্রি sms এর সফটওয়্যার বানানো সম্ভব কিনা।
    ফাগুন বলল,”আপনার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করেছি। কিন্তু আমি তা চালু করতে পারি নাই। কারণ তা চালু করতে গেলে ইরর প্রদর্শন করে।”
    আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে এটা স্পাইওয়ার কিনা, এটা না ডাউনলোড করাই ভাল হবে, তবে এর ব্যাতিক্রম ও হতে পারে , না হলে ইরর কেন দেখায়। ফাগুন এর পিসি তে microsoft net framework না থাকার কারণেও ইরর দেখাতে পারে।

    সব কিছুর জন্য প্রস্তুত হচ্ছি@ হ্যা! ১৪KB কেন ৪ Kb এর সফটওয়্যারেও ভাইরাস থাকতে পারে। কেননা ভাইরাসের জন্য প্রচুর কোডের প্রয়োজন হয় না। আমি মূলত VB এ কয়েকটি লাইন লিখার মাধ্যমেই একটি ভাইরাস তৈরী করতে পারি আর C++ এ হয়ত আরো কম কোডের মাধ্যমেও ভাইরাস তৈরী করা সম্ভব কিন্তু আমি C++ এর বিষয়ে সঠিক কোন তথ্য দিতে পারব না কেননা, এই বিষয়ে আমার খুব একটা ধারণা নেই।
    তবে এই কথাটি ঠিক বুঝতে পারছি না ১৪KB এর সফটওয়ার দিয়ে কিভাবে একটি পূর্ণাজ্ঞ সফটওয়্যার তৈরী করা সম্ভব। একটি সফটওয়্যারে যদি শুধুমাত্র একটি ফর্ম থাকে তাহলেও আর পরিমাণ হয় ১০kb এর উপরে আর কোড ছাড়া ফর্মতো কোন কাজই করতে পারবে না। এছাড়া একটি পূর্ণাজ্ঞ সফটওয়্যারে অবশ্যই About এবং Help ফর্ম থাকে। আর একটি Help ফাইল অথবা ফর্ম তৈরী করতে কমপক্ষে ১০kb চলে যায়। তাই সব কিছু বিবেচনা করে বলা যায় যে, যিনি আমাদেরকে ইমেইলের মাধ্যমে এই বিষয় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তিনি কোন অসধ উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদেরকে মেইল করেছেন। হয়তবা তিনি আমাদের পিসি হ্যাক করার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া আমি ইচ্ছে করেই উনার নামটি উল্লেখ করি নাই, কেননা আমি এই বিষয়ে নিশ্চিত ছিলাম না যে, উনি আমাদের শাকিল আরেফিন ভাই না অন্য কেউ।

    ফাগুন তোমার কি microsoft net framework আছে ? না থাকলে এরর দেখাবে। তোমার মত একটা ছেলের কাছে microsoft net framework থাকবে না তা ভাবাও ভুল। এটা থাকার পর ও যদি সফটওয়্যার ইন্সটল এর সময় এরর দেখায় তাহলে বলতে হবে ” ডালমে কুছ কালা হে ।” এবং “তিনি কোন অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদেরকে মেইল করেছেন। হয়তবা তিনি আমাদের পিসি হ্যাক করার চেষ্টা করেছেন।” তোমার এই কথাও ফেলে দেয়া যায় না।
    তবে যদি এর ব্যাতিক্রম হয়, তাহলে ওনি আমাদের লেখা গুলো দেখে কষ্ট পেতে পারেন। তাছাড়া ওনি পরবর্তী ইমেইলে টিউন করার নিয়ম জানতে চেয়েছিলেন। সব মিলিয়ে কি বলব বুঝতে পারছি না। আসলে “মানুষ চেনা বড় দায়।” তাছাড়া আমি তোমার এই টিউন ইমেইল করে পাঠানোর পরও কোন এখানে ওনার কমেন্ট দেখা যাচ্ছে না।
    আমি ওপরে সফটওয়্যার এর যেই মিডিয়াফায়ারের লিঙ্ক দিয়েছি তা ডিলিট করে দাও। কারণ টে টি তে অনেকেই আছে যারা কমেন্ট না পড়ে ডাউনলোড করে ফেলবে, পরে পাসওয়ার্ড হ্যাক হলে মাথার চুল ছিঁড়বে।

    হ্যা! আমার কাছে এটি আছে। কিন্তু ইন্সটল করা নাই। কেননা দুই দিন আগে উইন্ডোজ সেটাপ দিছি। আর হ্যা ভাই ঠিক বলেছ, যদি উনি সত্যই সমস্যায় পরে আমাদেরকে ইমেইল করেন তাহলে উনি আসলেই কষ্ট পাবেন এই কমেন্টগুলো দেখে। আমিও উনাকে গতকালই একটি ইমেইল করেছিলাম কিন্তু এখনও কোন রিপ্লে পাই নাই। তাই বর্তমান মূহুর্তে একমাত্র শাকিল ভাই ঐ পারেন সমস্যার সমাধান দিতে।

    Level 0

    from shakil afrin
    sender-time Sent at 6:57 PM (GMT+06:00). Current time there: 12:41 AM. ✆
    to [email protected]
    date Sun, Jun 6, 2010 at 6:57 PM
    subject Help me…………..
    mailed-by gmail.com
    signed-by gmail.com

    hide details Jun 6 (6 days ago)

    আসসালামুলাইকুম,

    আমি শাকিল আরেফিন। টেকটিউনসে আমি আপনার একজন ভক্ত। ফ্রী এসএমএস দেবার
    জন্য আমি একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এটি দিয়ে GSM এবং CDMA দুটোতেই
    ফ্রী এসএমএস দেয়ায়া যায়। কিন্তু সমস্যা হলো ৩০-৪০ এসএমএস দেবার পর এভিরা
    এটাকে ভাইরাস হিসাবে ধরে এবং নতুন করে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে হয়। এটি
    চালাতে মাইক্রোসফট ফ্রেমওয়ার্ক লাগে।

    ডাউনলোড লিঙ্ক
    http://www.mediafire.com/?yzmyglfjmgn

    অনেক আশা করে ভাইয়া আপনার নিকট মেইল করছি দয়া করে এটার একটি স্থায়ী সমাধান দিন।

    Level 0

    আমার পিসিতে ইনস্টল করি, এরর দেখায়, যদিও আমার ডট নেট প্যাক ইন্সটল করা আছে।
    আমি ২ টা রিপ্লাই দেই কিন্তু কোন রেস্পন্স পাই নি
    ব্যপারটা কেমন যেন ঘোলাটে লাগছে

    লাকি ভাই , আপ্নাকেও পাঠাইছে ?
    তাহলে সফটওয়্যার টা কি স্পাইওয়ার জাতীয় নাকি ? তাইলে windows আবার সেটাপ মারেন। নাইলে খাবেন ধরা।

    Level 0

    আমি খাব ধরা ????
    আপনি আমাকে একটা পাঠান, আমার কোন সমস্যাই নাই 😀 😀 😀
    কারন্টা বল্বনে একদিন

ধন্যবাদ অনেক কিছু লেখার জন্য। আপনার লেখা দেখলে বোঝা যায় টেকটিউনসে অনেক আপন করে নিয়েছেন।
আমার লিখতে খুব কস্ট হয় আর আপনারা এতটা কিভাবে লিখেন! একটা টিউন সমান লেখা আছে শুধু কমেন্টেই।

    হা হা হা!!!হ্যা ভাই এই কথাটি মনের মধ্যে জাগতে পারে। কিন্ত একবার চিন্তা করুন তো আপনি ফেইসবুকে আছেন এবং আপনাকে একজন একটি ম্যাসেজ দিল। এবার আপনি কী করবেন? আপনি কী উনাকে কোন কিছু না পড়ে এবং না বুঝেই ধন্যবাদ দিয়ে দিবেন? না ম্যাসেজটিকে ভালভাবে পড়বেন এবং পরে তার উত্তর দিবেন?
    আপনি যদি ফেইসবুকে একটি ম্যাসেজ ভালভাবে পড়ার পর উত্তর প্রদান করেন তাহলে কেন টেকটিউনসে কোন টিউন না পড়েই উত্তর প্রদান করবেন?

Level 0

টিউনের জন্য ধন্যবাদ
একটা কথা একমত, আপডেট যতই থাকুক, পিসি কখনো ১০০% নিরাপদ নয়

THANKYOU FAGUN RAIN