যেভাবে ওয়ালটন সিম্ফনি মাইক্রোম্যাক্স সহ সব ধরনের চায়না ফোন তৈরি হয়

টিউন বিভাগ প্রযুক্তি কথন
প্রকাশিত
জোসস করেছেন
————————–— بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ————————–—

সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি, সবাইকে আমার আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি বর্তমান সময়ে বহুল ব্যবহৃত চাইনিস মোবাইল ফোনগুলোর ফ্যাক্টরি ম্যানুফেকচারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্স্তিারিত বর্ণনা সম্বলিত আমার আজকের টিউন।

চাইনিজ মোবাইল গুলো মুঠো ফোন ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ভালো ব্র্যান্ড এর ফোন কোম্পানিগুলো যখন আকাশ ছোঁয়া দাম নিয়ে মোবাইল ফোন মার্কেটিং শুরু করেছিলো সেখানে অত্যাধুনিক ফিচার সম্বলিত চাইনিজ ফোনগুলো কম দামে বেশি সেবা নিয়ে মানুষের দুয়ারে পৌছে গিয়েছে। এছাড়াও অত্যাধুনিক মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম, ডুয়েল এবং ট্রিপল সিম ফিচারগুলো আমি চাইনিজ ফোনগুলোতেই প্রথম দেখেছি।

ফোন যে শুধুমাত্র কথা বলার যন্ত্র না বরং এর চেয়েও বেশি কিছু সেটা চাইনিজ ফোনগুলো আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে বর্তমান সময়ের কথা যদি বলি তাহলে চাইনিজ ফোনগুলোর প্রাধান্য প্রায় সর্বত্রই। তাছাড়া কথিত নামি দামী ব্র্যান্ডগুলোর প্রোডাক্টও কিন্তু চাইনাতেই ম্যানুফেকচার করা হয়। বিশ্বাস না হয় ফোনের ব্যাটারীটা খুলে একবার তাকিয়ে দেখুন, মেইড ইন / মেইড বাই চায়না দেখতে পাবেন।

যাহোক, আজকের টিউনগুলোতে চাইনিজ ফোনগুলোর কোন গুণকীর্তন নয় বরং কীভাবে এই ফোনগুলো তৈরী করা হয় সে বিষয়ে আলোচনা করবো। আশা করি আজকের টিউন থেকে চাইনিজ প্রোডাক্ট সম্পর্কিত আপনার যাবতীয় ধারনা আরও বেশি স্বচ্ছ এবং পরিষ্কার হয়ে যাবে।

যেভাবে চাইনিজ মোবাইলফোনগুলো তৈরী করা হয়

বাজারে যে হারে চাইনিজ মোবাইলগুলো দেখা যায় তাতে অনেকের মনে হতে পারে যে মোবাইলগুলো কোন অটোমেটেড প্রসেস এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরী হয়। অথবা সম্পূর্ণ রোবটিক পদ্ধতিতে ফোনগুলো নিখুঁতভাবে তৈরী হয়। বাস্তবতা আমাদের ধারনার সাথে সব সময় মিলে যাবে এমন কোন কথা নেই। আর এক্ষেত্রে ধারনা বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত।

কারন চায়না ফোনগুলো টেস্টিং কিংবা ইনস্ট্রুমেন্ট মেকিং যন্ত্রের সহায়তাই করা হলেও ফোনগুলো অ্যাসেমব্লিং করা হয় সম্পূর্ণ মানুষের হাত দিয়ে। শত সহস্র কর্মীর হাতের স্পর্শে তৈরী হয় এই লক্ষ কোটি অত্যাধুনিক ডিভাইসগুলো। তবে ফোনগুলোর যন্ত্রাংশ সংযোজন, পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে শুরু করে কতোগুলো পর্যায়ক্রমিক ধাপ অনুসরণ করা হয়। যে সমস্ত বিষয় পর্যায়ক্রমিক ভাবে সংযোজন করা হয় সেগুলো নিম্নরূপ-

  • স্টোরেজ – এখানে সবগুলো যন্ত্রাংশ এক জায়গায় রাখা হয়।

  • ডিভাইস এসেমব্লিং – এখানে যন্ত্রাংশগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় সংযোজন করে সম্পূর্ণ ডিভাইস তৈরী করা হয়।

  • ডিভাইস টেস্টিং – বিভিন্ন অবস্থায় এবং ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতেতে মোবাইলগুলোর টিকে থাকার ক্ষমতা যাচাই করা হয়।
  • প্যাকেজিং – সব ঠিক থাকলে ডিভাইসগুলো বাজারজাত করার জন্য প্যাকেজিং করা হয়।

ইনস্ট্রুমেন্টস স্টোরেজ

অনেকগুলো ফোন যখন একঝাঁক কর্মীর সমন্বয়ে তৈরী করা হয় তখন প্রথম শর্ত দাড়ায় প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো হাতের কাছে গুছানো অবস্থায় থাকাটা। কারন একটা উপকরণ জায়গামতো পাওয়া না গেলে সমস্ত উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। যাহোক, যে সমস্ত কোম্পানি মোবাইল ফোন ম্যানুফেকচার করে তাদের প্রত্যেকটা হাউসে রয়েছে আলাদা স্টোরেজ সেকশন। যেখানে ফোন তৈরীর জন্য প্রত্যেকটা উপকরণ আলাদা আলাদা ভাবে নির্দিষ্ট জায়াগায় সাজানো থাকে। চলুন তাহলে এই স্টোরেজ সেকশনগুলো চিত্রের সাহায্যে দেখে নেওয়া যাক।

  • সম্পূর্ণ স্টোর হাউস, এখানে প্রত্যেকটা উপকরণ নামের ক্রম অনুসারে সাজানো থাকে।

  • ফোনের ক্যাচিং কিংবা ফ্রন্ট গ্লাসগুলো এভাবে সাজানো থাকে।

  • ফোন এর জন্য প্রয়োজনীয় ক্যামেরা এখানে এভাবে এক সাথে থাকে।

  • ফোনের মেইন সার্কিট, মাদারবোর্ড এভাবে সাজানো থাকে।

ফোন তৈরীর জন্য উপকরণ সংযোজন

আগেই বলেছি ফোনের প্রত্যেকটি উপকরণ আলাদা আলাদা ভাবে তাদের নির্দিষ্ট স্টোরেজে রাখা হয়। তারপর প্রত্যেকটা উপকরণ একসাথে সংযোজিত করে একটি ফোনের রূপ দেওয়া হয়। এর জন্য রয়েছে একদল কর্মী বাহিনী যারা একেকজন আলাদা আলাদা ভাবে ফোনের নির্দিষ্ট অংশ উপযুক্ত উপকরণ সংযোগের মাধ্যমে তৈরী করে থাকে। তবে অতি সুক্ষ এসব যন্ত্রাংশ সংযোজনে যেন কোন প্রকার ঝামেলা না হয় সে জন্য প্রত্যেকটি কর্মীর সামনে রয়েছে স্ট্রাকচারের ম্যানুয়েল। তারা সেগুলো দেখে যথাযথ ভাবে যন্ত্রাংশগুলোকে তাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় সংযোজন করে।

এছাড়াও একটি সম্পূর্ণ ডিভাইস তৈরীর জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করা হয়

অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলেশন

  • সব কাজের শুরুতে ডিভাইসের মাদারবোর্ডে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়। চিত্রে দেখানো যন্ত্রে একসাথে ৫-১০টি মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়। এবার তাহলে সব কিছু একটার সাথে আরেকটা সংযোগের পালা।

যন্ত্রাংশ নির্দিষ্ট জায়গায় সংযোজন

  • ম্যানুয়েল দেখে যন্ত্রাংশগুলোর বক্স থেকে প্রয়োজন মতো নিয়ে সংযোজন করা হয়। এগুলো কর্মীরা কোন প্রকার যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ হাত দিয়ে করে থাকে। বাকী কাজগুলোও একই রকম হাতের ছোঁয়াতেই করা হয়।

  • ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ইত্যাদি যন্ত্রাংশগুলো মাদারবোর্ডে সংযুক্ত করা হচ্ছে।

  • বিভিন্ন চিপ এবং রিবনগুলো যথাযথভাবে লাগানো হয়।

  • স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় ফোম সাপোর্ট দেওয়া হয়।

সবগুলো যন্ত্রাংশের সঠিক সমন্বয়ের জন্য স্ক্রুয়িং করা

  • প্রত্যেকটা যন্ত্রাংশ তাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় লাগানোর পরে সেগুলোকে স্ক্রু দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। এটাও ম্যানুয়েলি করা হয় কোন প্রকার অটোমেটিক প্রসেস ছাড়ায়।

ডাস্ট রিমুভিং এবং ফাইনাল টাচ

  • মোবাইল ফোনের কেচিং লাগানোর আগে ভালোভাবে চেক করা হয় যেন কোন প্রকার ধুলা ময়লা না থাকে। কারন ধুলা হলো ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের সবচেয়ে বড় শত্রু।

  • সব কিছু ঠিক মতো লাগানোর পরে ডিভাইসটি তার নির্দিষ্ট আকৃতিতে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়ে যায়। কিন্তু ডিভাইস প্রস্তুত হলেই তো আর সব শেষ হয় না। এবারতো ডিভাইসটি ঠিক মতো চলতে পারবে কিনা সেটা টেস্ট করা প্রয়োজন, তাইনা?

যথাযথ টেস্টিং এবং ফাইনালাইজিং

প্রথম দিকে যখন চায়না ফোনগুলো বাজারে আসে তখন অনেকের মনে ধারনা ছিলো যে চাইনা ফোনগুলো বেশিদিন টিকে না। অথবা ফোনগুলো খুবই হালকা প্রকৃতির, একটা সমস্যাতেই অক্কা পাবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা দেখি যে, চাইনা ফোনগুলো সম্পর্কে এসব ধারনা একদম ঠিক নয়। অন্যন্য ভালো ব্র্যান্ডের ফোনগুলোর মতোই চাইনা ফোনগুলো দীর্ঘদিন ভালো সার্ভিস দেয়। চাইনা ফোনের এরকম ভালো সার্ভিসের পেছনে যে কারনগুলো লুকিয়ে আছে সেগুলো হলো এরকম চমকপ্রদ এবং অতি উচ্চমানের টেস্টিং মেথড। ফোনগুলো এমন ভাবে তৈরী করা হয় যাতে বৈরী পরিবেশেও এটি টিকে থাকতে পারে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক, কী কী পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় ফোনগুলো টেস্ট করার জন্য।

ফোনের ডিসপ্লে এবং কালার চেকিং

  • ফোন চালু করার পরেই আগে ডিসপ্লে চেক করা হয়। কারন যদি ভালো ডিসপ্লে না হয় তাহলে স্মার্টফোন প্রায় মূল্যহীন। এজন্য কালার কম্বিনেশন, লাইটিং, স্বচ্ছতা এসব বিষয় যাচাই বাছাই করা হয়। সব ঠিক থাকলে পরবর্তি পরীক্ষা।

  • ফোনের কালার টিকভাবে আসে কিনা এটা চেক করার জন্য অন্য কোন স্ট্যান্ডার্ড ফোনের সাহায্যে দুটো ডিভাইসকে তুলনা করা হয়।

ব্যাটারী এবং সিম কার্ড চেকিং

  • ব্যাটারী এবং সিমকার্ড সংযোগের পর ফোন কাজ করে কিনা সেটা চেক করার জন্য ব্যাটারী এবং সিমকার্ড যুক্ত করে সেগুলো পরীক্ষা করা হয়।

কল এবং সাইন্ড চেক

  • যেহেতু গ্রাহকরা মোবাইল ফোনকে কল করার জন্যই ব্যবহার করে থাকে সেহেতু কল সিস্টেম চেক করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই কল এবং সাউন্ড সিস্টেম খুব যত্ন সহকারে চেক করা হয়।

  • কলের সাউন্ড ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

তাপ সহনীয়তার পরীক্ষা

  • ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস মাঝে মাঝে এমনিতেই গরম হয়ে যায়। তারপরে যদি ফোনগুলোকে অনেক বেশি তাপমাত্রায় রাখা হয় তাহলে দুর্ঘটনার সম্ভবনা খুব বেশি থাকে। তাই ফোনগুলোকে উচ্চ তাপের চেম্বারে রেখে তার তাপসহনীয়তা পরীক্ষা করা হয়। তবে সব ফোনকে একই রকম পরীক্ষা করা হয় না। প্রতি দশটা ফোনের একটাকে এরকম পরীক্ষার সম্মুখিন হতে হয়।

  • তবে শুধু উচ্চ তাপেই নয় বরং নিম্ন তাপের জন্যও ফোনগুলোকে পরীক্ষা করা হয়। কারন আমাদের দেশে উচ্চ তাপ সমস্যা থাকলেও অনেক দেশে এমনকি চায়নাতেও কিন্তু নিম্ন তাপের প্রভাব প্রবল।

ধুলা নিরোধক কিনা নিশ্চিত হওয়া

  • আগেই বলেছি ধুলা ময়লা হলো ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের বড় শত্রু। তাই ডাস্ট চেম্বারে রেখে ফোনগুলো ধুলা নিরোধক কিনা সেটা যাচাই করা হয়।

ঘাত সহনীয়তার পরীক্ষা

  • ফোনের স্ক্রিনের উপর কোন কিছু পড়ে গেলে অথবা ফোন কিছু দ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হলে সেটি নষ্ট হবে কিনা সেটা যাচাই করা হয়। এর জন্য নির্দিষ্ট ভরের কিছু ওজনের সাহায্যে ফোনটিকে নিচের চিত্রে মতো আঘাত করা হয়। মজার ব্যাপার হলো এসব পরীক্ষাগুলোতে ফোনগুলো অনায়াসেই পাশ করে যায়।

  • এছাড়াও ফোনকে অনেক উপর থেকে বিভিন্ন ভাবে ফেলে দিয়ে ভেঙে যায় কিনা পরীক্ষা করা হয়।

ফ্লেক্সিবিলিটি পরীক্ষা

  • ফোনটা যদি ফোল্ডিং হয় তাহলে তার ফোল্ডিংগুলোর ফ্লেক্সিবিলিটি পরীক্ষা করা হয়। এখানে একটি যন্ত্রের সাহায্যে ফোনগুলোকে ক্রমাগত ফোল্ড এবং আনফোল্ড করে তার ফ্লেক্সিবিলিটি যাচাই করা হয়।

চার্জার, ব্যাটারী এবং দীর্ঘক্ষণ চার্জিং পরীক্ষা

  • এ পরীক্ষার মজাদার দিক হলো একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই চার্জার, ব্যাটারী এবং দীর্ঘক্ষণ চার্জের ইফেক্ট পরীক্ষা করা যায়। নিচের চিত্রের মতো ফোনগুলোকে দীর্ঘক্ষণ ধরে চার্জ করার মাধ্যমে যাচাই করা হয়।

  • এছাড়াও ব্যাটারীগুলো ফোনের সাথে সংযুক্ত করার আগেও টেস্ট করা হয়। এভাবে সারি বেধে ব্যাটারীগুলোকে চার্জ করা হয়।

হেডফোন এবং তারের স্থিতিস্থাপকতা পরীক্ষা

  • হেডফোন এর তারগুলোকে একটি যন্ত্রের সাহায্যে দীর্ঘক্ষণ টেনে এবং মুভ করিয়ে তাদের স্থিতিস্থাপকতা পরীক্ষা করা হয়। যাতে এগুলো কোন অবস্থাতেই ছিড়ে না যায় কিংবা ডিসকানেক্ট না হয়।

তুলনামুলক স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন

  • সব শেষে একই মডেলের অন্য ফোনের সাথে নতুন তৈরী করা ফোনটি মিলে কিনা সেটা চেক করা হয়।

প্যাকেজিং এবং শিপমেন্ট

ফোন তৈরী এবং চেকিং এর ধাপগুলো শেষ। এখন তৈরীকৃত ফোনগুলোকে প্যাকিং এবং শিপমেন্টের পালা। এবং এখানেই সবথেকে আশ্চর্য তথ্যটি আপনাদের সামনে দেওয়া হবে। আমরা বাজারে যে সমস্ত চাইনা ফোন এবং তাদের কোম্পানির নামগুলো দেখি সেগুলো কিন্তু ফোন তৈরীর সময় থাকে না। পরে সেই নামগুলোকে লেবেলিং করা হয়। সেই দৃষ্টিকোন থেকে দেখলে সবগুলো চাইনিজ ফোন মুলত একই জিনিস। তবে যন্ত্রাংশের মানের কোয়ালিটির কমবেশি থাকলে সেটা ভিন্ন কথা। শেষ পর্যায়ে এসে এবার তাহলে জেনে নেওয়া যাক প্যাকিং এর আদ্যপান্ত।

স্ক্রিন পেপার সংযোজন

  • ফোনের মেইন স্ক্রিনকে নিরাপদ রাখার জন্য এর উপর নতুন আরেকটি পাতলা স্ক্রিনপেপার সংযোজন করা হয়।

ফোনগুলোকে প্যাকিং এর জন্য নির্দিষ্টে বক্সে স্থানান্তর করা

  • ফোনগুলোকে প্যাক করার জন্য একটি নির্দিষ্ট বক্সে স্থানান্তর করা হয়। বক্সে স্থানান্তরের পরেই লেবেলিং করা হবে।

ফোন এবং ব্যাটারীগুলোকে লেবেলিং করা

  • যেহেতু যন্ত্রাংশগুলো আলাদা আলাদা সংযোজন করা হয় সেহেতু ফোনগুলো নির্দিষ্ট কোন কোম্পানির থাকেনা। পরে সেগুলোকে কোম্পানির নাম অনুসারে লেবেলিং করা হয়।

  • লেবেল লাগানোর পরে সেই ফোনকে আমরা লেবেলওয়ালা কোম্পানির ফোন বলে চিহিৃত করতে পারি।

প্যাকিং সেকশনে স্থানান্তর

  • ফোনগুলোকে লেবেল লাগানো শেষে এভাবেই সবগুলোকে এক সাথে কোম্পানির বক্সে প্যাকিং এর জন্য পাঠানো হয়।

নির্দিষ্ট কোম্পানির নামে প্যাকিং

  • এভাবে নির্দিষ্ট কোম্পানির বক্সে প্যাকিং শেষে ফোনগুলো শিপমেন্টের জন্য তৈরী হয়। চায়না এই ফোনগুলো হাতে পাবার জন্য এবং সেগুলো ব্যবহার করার জন্য আপনি তৈরী তো?

শেষ কথা

টিউনটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা বুঝতে যদি কোন রকম সমস্যা হয় তাহলে আমাকে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। কারন আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে সংশোধিত হতে এবং আরো ভালো মানের টিউন করতে উৎসাহিত করবে। সর্বশেষ যে কথাটি বলবো সেটা হলো, আশাকরি এবং অপরকেও কপি পেস্ট টিউন করতে নিরুৎসাহিত করি। সবার সর্বাঙ্গিন মঙ্গল কামনা করে আজ এখানেই শেষ করছি। দেখা হবে আগামী টিউনে।

Level 7

আমি সানিম মাহবীর ফাহাদ। সুপ্রিম টিউনার, টেকটিউনস বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 3 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 172 টি টিউন ও 3503 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 137 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

অন্য আর দশটা মানুষের মতোই একদিন এই পৃথিবীতে আসছিলাম। তারপর থেকে নিজের মতো করেই নিজের পৃথিবীতে বেঁচে আছি। এরপর একদিন টুপ করে জীবন্ত পৃথিবী থেকে ঝরে পড়বো। জীবনতো এটাই, তাই না?


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

দারুন। সত্যি খুব ভালো লাগলো

Level New

Super!

জাস্ট গিগা টিউন,অনেক ভাল লাগলো কিভাবে চায়না ফোন গুলো তৈরি হয় আজ সচিত্র এর মাধ্যমে দেখলাম,সাথে আছি অনেক অনেক শুভকামনা রইল ।

আবারো অসাধারন, ধন্যবাদ আপনাকে। এতো পরিক্ষা নিরীক্ষার পরেও এদের প্রডাক্ট বেশিদিন চলেনা কেন ?

    সেটা চালানোর উপর নির্ভরশীল। সব দামেরই চায়না ফোন বাজারে রয়েছে। বেশি দামের ফোন কিনলে দেখবেন ঠিকই বেশিদিন চলছে।

Level 0

khub valo laglo

অপেক্ষার পালা শেষ হয়েছে, কয়েক বস্তা ধন্যবাদ দিলেও তা এই পোষ্ট এর জন্য কিছুই না, অসাধারন, ১০০০০০০০ধন্যবস্তা দিলাম,

    ভাই, এতোগুলো ধইন্যা দিলেন কিন্তু একটা ফ্রিজ দিলেন না কেন? এখন এতো ধইন্যা আমি কই রাখবো?

ধন্যবাদ

এক কথায় অসাধারন!!!! আপনাকে ধন্যবাদ। পরের টিউনের জন্য অপেক্ষারত

অজানাকে জানতে পারলাম সব পড়ে অনেক ভাল লাগল এগিয়ে যান আছি সাতে

    আমার টিউনে সম্রাট শাহজাহানের এমন সুন্দর টিউমেন্ট আমাকে চমৎকৃত করলো:) ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ না দিয়ে পারলাম না।

আপনার টিউন মানেই নতুন কিছুর সম্ভাবনা। ধন্যবাদ এমন একটি টিউন উপহার দেবার জন্য।

ধন্যবাদ আপনাকে – এটি একটি Documentary ভিডিও আমি আগেই দেখেছি

খুব সুন্দর একটা টিউন ।গিগা টিউন

Level 0

Bhaiya Apnar Post e Tument Kortei Login Holam… Shei Likhechen Bhaiya… Onek kichu janlam…thank you bhaiya… 😀

    তাই নাকি? আপনার কথা শুনে অনেক ভালো লাগলো। শুধু ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না। টেকটিউনসের পাশেই থাকুন।

নতুন করে চমৎকার বলার মত কিছু নাই । আপনার টিউন থেকে বরাবরই একটু বেশিই জানতে পারি । তবে এইটাতে আরো একটু বেশি জানলাম । অনেক ধন্যবাদ । পরের টিউনের অপেক্ষায় রইলাম ।

    ধন্যবাদ ইশতিয়াক ভাই। আপনার অপেক্ষার শীঘ্রই অবসান হবে ইনশাল্লাহ। টেকটিউনসের পাশেই থাকুন।

না জানা অনেক তথ্য জানতে পারলাম। 🙂

সত্যি গিগা টিউন

বর্তমানে টেকটিউনস এ আপনাদের মত টিউনারের খুব অভাব । ভাল লাগল 😀

    সুন্দর টিউমেন্টের জন্য শিহাব ভাইয়ের দেওয়া ১০০০০০০০ ধইন্যার বস্তার ভেতর থেকে আপনি ১০০০টা নিয়ে যান 🙂

মচৎকার টিউন…

অসাধারণ

অসাধারন হয়েছে….ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না….এরকম পােস্ট আরও চায়

Level 0

Ami r ki bolbo sob to bolai hoye gese.
just Thank You!!!!!!!!!!!!

ধন্যবাদ

অনেক তথ্য সমৃদ্ধ একটা টিউন। ধন্যবাদ ফাহাদ ভাই। 🙂

thanks.Go ahead bro.

ধন্যবাদ ভাই, অনেক কিছু জানতে পারলাম ।

thanks for a nice tune .
Oi chinise der dress ta oirokm keno ? OT te doctor ra jemon poren . er ki kono karon ache /

    সঠিক বলতে পারছি না। তবে সম্ভবত ক্ষতিকর রেডিয়েশন থেকে বাঁচার জন্য এরকম পোশাক পড়ে। আবার পরিচ্ছন্যতার জন্যও পড়তে পারে। তবে চায়না যদি কোনদিন যাই তাহলে জেনে আসবো 😛

অসাধারণ

পুরো ব্যাপারটি আজ-ই প্রথম জানলাম,,,,,,,,, সো আপনার জন্য ধইন্যার বস্তা

    নতুন কিছু জানাতে পারছি ভেবে ভালো লাগছে। টেকটিউনসের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ 🙂

অনেক, অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। চায়না ফোন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলাম।
সত্যি কথা বলতে কি বেশি দামে স্মার্টফোন কেনার মত আমার সামর্থ ছিলনা। কিন্তু একটা স্মার্টফোন এর খুব প্রয়োজন ছিল। প্রায় ২-৩ বছর ধরে টাকা জমিয়ে সিম্ফিনি H20 কিনেছি। ভালই চলছে।
সারাক্ষন নেট ব্যবহার করতে পারি।

    চায়না ফোনগুলো হলো সাধ্যের মধ্যে সবটুকু সুখ। আপনার টিউমেন্ট দেখে ভালো লাগলো। টেকটিউনসের সাথেই থাকুন। অনেক ধন্যবাদ 🙂

চোখ ব্যথা আর উপর্যুপরি মাথা ব্যথার (বমি ভাব ছাড়া 😉 ) সাথে অতি তীব্র ভালোলাগা কাজ করার জন্য দীর্ঘ স্ক্রলিংয়ের চিত্রিত বর্ণনার এমন একটা টিউনই যথেষ্ট…..যতদূর স্মৃতি আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে না, ততদূর গেলে পরে মনে পড়ে- প্রাচীনকালে এসব নিয়ে ক্ষুদ্র একটা চলমান চিত্র দেখেছিলাম, কচুপাতায় ওই অতক্ষণই পানি ছিল!! আজকের ছবিগুলো মনে হচ্ছে পানিটাকে স্থায়ীভাবে পাতায় লেপ্টে দিতে পেরেছে 😆

টিউনের জন্য বাঁধভাঙা গাঙে ধইন্যার বন্যা 🙂
আর সেরা টিউনার হওয়ায় টিটির একটা কাঙ্খিত পূর্ণতাপ্রাপ্তি হল 🙂

    ধন্যবাদ নিটোল ভাই 🙂 আপনার টিউমেন্টের মাধ্যমেও কিন্তু আজকের টিউনের পূর্ণতা পেলো। সেরা হওয়াটা কিন্তু আপনাদেরই অবদান। সব সময় এভাবেই সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন, পাশে রাখবেন আশা করি।

এই বিষয়টা নিয়ে আগে এতো স্পষ্ট ধারনা ছিলো না। জানার চেষ্টাও করিনি কখনো। আজ আবছা ধারনা থেকে স্পষ্ট কিছু পেলাম 🙂

ফাহাদ ভাই ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না । আসাধারন টিউন বলে বোঝাতে পারব না ।

Level 2

Super tune 🙂
I shared it on several social networks

Level 0

অসাধারন, খুব ভালো লাগলো।

Vai Amr techtune e temon login kora hoi na & tunement kora hoi na olosotar karone…. Kin2 apnar tune dekhe login na kore parlam na…. Ami joto tunement korechi tar moddhe besir vag e apnar tune e…
Asolei osadharon likhesen & baddho koralen login korte…… Tnx to the power infinity :p

    যারা আমার টিউনে টিউন করে তাদের মাঝে কিছু লোক খুব বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে। সেই কিছু লোকের মাঝে আপনিও অন্যতম। টিউমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ আহসান হাবিব ভাই 🙂 টেকটিউনসের সাথেই থাকুন।

Level 0

দারুন

বেশ ভাল একটা টিউন
চালিয়ে যান

Need Video Tune About it…

onek valo laglo.. jane..

ভাইয়া এইজন্যই আপনাকে এত ভালো লাগে। আপনার সবগুলা টিউনই সত্যি অনন্য। আপনার যত টিউন পড়ছি ততই আমি মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি। তাই ধন্যবাদ দিয়ে আর ছোট করবনা।

Level New

চমত্কার পোস্ট !

দারুন । ধন্যবাদ ভাই

বেশি কিছু বলার নাই শুধু বলব অসাধারণ হয়েছে . এমন টিউন বারবার চাই .

ফাহাদ ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এই রকম অসাধারন টিউন করার জন্য। অাপনার প্রত্যেকটা টিউন অনেক সুন্দর হয়। অনেক ভালোই লাগে এবং অনেক অজানা কিছু রহস্য পাওয়া যায় আপনার টিউন গুলাতে। সামনে আমাদের জন্য আরও একটা টিউন নিয়ে আসবেন সেটা হলো আইপোন এবং ম্যাকবুক কিভাবে প্রসেস করে। ধন্যবাদ।

    সুন্দর টিউমেন্ট এবং সুন্দর পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। টেকটিউনসের সাথেই থাকুন, আমি আমার সাধ্য মতো আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।

টিউন টা অনেক ভাল লাগছে,Amazing Tune
এই সাইটটা থাকলে প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ ব্যাবহার টাকা দিয়ে শিখতে হবেনা।
ধন্যবাদ ফাহাদ ভাইকে-

    জ্বি ভাই, প্রযুক্তির সুরে মেতে থাকতে টেকটিউনসের কোন বিকল্প নেই। সব সময় টেকটিউনসের সাথেই থাকুন।

অনেক ধুইন্নাবাদ ভাই সত্যি অনেক ভাল টিউন হইসে এমন আরো ইউনিক টিউন করবেন (আপ্নে আগে থেকেই করেন )এটাই আশা করি

    অনেক ধন্যবাদ শাওন ভাই, বহুদিন পরে আপনার চমৎকার টিউমেন্ট দেখে ভালো লাগলো। কচি ধইন্যার সুবাসিত শুভেচ্ছা 🙂

wwwooow !!! tera tune.a 2 z of china mobile production history.
onek thanks vhi (leptoper keyboard nosto on screen kybrd use korci,tune dekhe cmt na kore takte parlam )

    সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কষ্ট করে আমার টিউনে টিউমেন্ট করেছেন দেখে ভালো লাগছে।

অসাধারণ টিউন…!!! এটা নির্বাচিত টিউন করা হউক ।

Level New

অসাধারণ.

ফাহাদ ভাইয়া , একটা পরামর্শ দিবেন ?

দারুন, অনেক কিছু জানলাম। আমি আপনার একজন বিরাট ফ্যান। আপনার সব লেখা ভাল লাগে।

    কেউ আমার বিশাল পাঙ্খা এই কথাটি শুনতে ভালোই লাগে। ধন্যবাদ ভাই 🙂 টেকটিউনসের সাথেই থাকুন।

আমি একটা ডেক্সটপ কিনতে চাইছিলাম।

তবে এ বিষয়ে আমার পূর্বে কোন অভিজ্ঞতা নাই ইন্টারনেট ঘেটে ঘেটে কিছু তথ্য যোগাড় করার চেষ্টা চালাচ্ছি।আপনি যদি একটু সাহায্য করতেন তথ্য দিয়ে ,তবে অনেক বেশি উপকৃত হতাম।

আমার বাজেট ৫৫০০০-৬০০০০ টাকা ।আমি হার্ডি গেম, কাজ ,এছাড়া ইন্টারনেট সার্ফ তো করতেই চাই।আপনি যদি আমার জায়গায় থাকতেন তবে কিভাবে নিম্নক্ত যন্ত্রাংশগুলির কনফিগারেশন করতেন?

১.প্রসেসর
২.মাদারবোর্ড
৩.র্যাম
৪.হার্ড ডিক্স
৫.গ্রাফিক্স কার্ড
৬.মনিটর

উল্লেখ্য,

আমার মিনিমাম রিকয়ারমেন্টস,

১.Core i7
২.8 Gb DDR3 2000Mhz Ram

আশা করি আপনার এই ছোট ভাইয়ের এই উপকার টুকু করবেন ভাইয়া। ডাইরেক্ট প্রোডাক্ট নেম ও মডেল বলে দিলে খুশি হব।রিপ্লে এর আশায় থাকলাম ভাইয়া 🙁

    ব্র্যান্ড এর পিসিগুলো কিনতে পারেন। তবে আমি শুধু আপনাকে এসএসডি হার্ডড্রাইভ রিকমেন্ড করতে পারি। আর আমি যেহেতু ল্যাপটপ ব্যবহারকারী আর যে সময়ে ডেস্কটপ ব্যবহার করেছি সে সময়ে বেশি অভিজ্ঞতা ছিলো না তাই এ ব্যাপারে বেশি কিছু বলতে পারবো না। তবে যেখান থেকে কিনবেন সেখানে গিয়ে তাদের কাছ থেকেও ভালো সাজেশন পেতে পারেন। আর অবশ্যই এসএসডি লাগাতে ভুলে যাবেন না। কারন এসএসডি এর কারনে পিসির স্পিড ৩গুণ বেড়ে যাবে।

SSD কি?আর এইটা লাগাল কি ১ টেরা হা্ডডিক্স ও লাগানো যাবে? কত জিবি এসএসডি লাগাবো? কোনগুলা ভাল ?দাম কত পড়তে পারে?

ভাইয়া , এইগুলা অন্তত জানাবেন প্লিজ.

    এসএসডি হলো সলিড স্টেট ড্রাইভ। এটাতে মুলত হার্ডডিস্ক এর মতো চাকা নাই। এটা অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে। ১২৮ জিবি এর দাম মোটামুটি ৭০০০ টাকা। দাম একটু বেশি হলেও কাজে অনেক মজা পাবেন। একটা একটেরা হার্ড ডিস্ক এবং একটি ৬৪জিবি অথবা ‌১২৮ জিবি এসএসডি একসাথে লাগাবেন। উইন্ডোজ এসএসডিতে ইনস্টল করবেন। দেখবেন স্পিড কাকে বলে।

    C ড্রাইভে যতোটুকু ব্যবহার করেন সেই কয় জিবি এসএসডি থাকলেই যথেষ্ট।

Level 0

অনেক অনেক সুন্দর! ধন্যবাদ।

এই প্রথম দেখলাম কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে এত্ত সুন্দর পোস্ট করতে।
আপনাকে অন্নেক ধন্যবাদ।

আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া । তবে, হার্ডডিক্স এ যেমন Revolution per minute বেশি হলে ভাল পারফরমেন্স দিবে , SSD এর সেই রকম কোন শ্রেনীবিভাগ আছে কি?

আর কোন ব্রান্ডের গুলা ভাল হবে? C ড্রাইভে কত জিবি SSD লাগালে পারফরমেন্স সবচেয়ে ভাল দিবে, ভাইয়া 😀 ?

    এসএসডি যেগুলোর আছে সেগুলো দামের কারনে ভিন্নতা পাবেন। ঢাকায় খুব বেশি কোম্পানির এসএসডি নেই। নেটে সার্চ করলে সর্বোচ্চ ৩ ব্র্যান্ডের এসএসডি পাবেন। দামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটা কিনে ফেলুন।

আমি দরজা xp অথবা 7 চালাতে আগ্রহী 🙂

    সেক্ষেত্রে উইন্ডোজ ৭ হলো বেস্ট। আমার কাছে এখনো সেভেন এর বিকল্প কিছু আছে বলে মনে হয় না।

অনেক সুন্দর টিউন। ধন্যবাদ সবার সাথে শেয়ার করার জন্য।

ধন্যবাদ আপনাকে…

অসাধারন টিউন!!

Vai apnar porisrom k salute na kore parlam nah! 🙂

এখনো কিন্তু আমরা চায়না মোবাইল শুনলেই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করি।সব চায়না মোবাইল খারাপ না।ধন্যবাদ এই অসাধারন টিউনটির জন্য।।BIG SALUTE!!!

thanks

তথ্যাট শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এমাজিং!

অনেক ভাল পোস্ট, এক জায়গায় দেখলাম মোবাইল এর তাপ সহনিয় টেস্ট, কত তাপ দেয়া হয় এই টেস্টে? তারপর উপর থেকে ফেলে ভাঙ্গে কিনা তার টেস্ট, ভাল তবে যদি জানা জেত কোন কোন মোবাইল উপর থেকে ফালাইছিল কেউ চাইত না অই মোবাইল গুলা কিন্তে,টেস্টে পাস করলেও কেউ যদি দেখে সামনে মোবাইল কে ফালায় টেস্ট করচে তখন কি আর ইচ্ছে করে অটা কিনতে?

    হা হা হা, ভালো বলেছেন। আমার বাঙ্গালীরা ডিসপ্লেতে রাখা জিনিসই কিনতে চাই না। তার উপরে এখানে আবার এতো এতো টেস্ট।

    যাহোক, টিউমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

দারুন হইছে

জটিল একটা টিউন।ভাল লাগছে খুব।

অসাধারণ একটা টিউন। অনেক কিছু জানলাম

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। আমি পোষ্ট টি প্রিয়তে রাখতে চাচ্ছি কিন্ত পারছিনা।

ধন্যবাদ