চাদে বলে মানুষ গেছিলো ?মুখস্ত বিদ্যা দিয়ে বয়ান কমায় মারেন ভাই, এদিকে আসেন

হ্যালো গাইজ,

ব্যাক করলাম আমি শিমুল, সাথে আজকে একটা মেগা টিউন। চলেন শুরু করা যাক।

আমার আগের পোস্ট মোস্ট সিক্রেট যায়গা এরিয়া ৫১ কি জানছেন, আজকে আরো জানেন সাথে দেখেন

দেখার পড়ে ছোটখাট বেশ কটা যুক্তি বিতর্কর জন্ম হইছে, আজকে সেগুলোর সমাধান দিয়ে দেই।

আমরা মোটামুটি সবাই জানি ২০ জুলাই ১৯৬৯ তে চাদে প্রথম পা রাখে মানুষ, কে সেই মানুষ নাম টা মনে আছে ? নীল আরমষ্ট্রং । আমরা অবাক হয়ে গেছলাম, হতবাক হয়ে গেছলাম, আর নিজেদের নিয়ে গর্ব হচ্ছিলো আমাদের। বাট আমি আজকে বলবো না, তখন কেউ চাদে যায়নি, ব্যাপার টা ভুয়া, বা সাজানো নাটক। না আমি তখন জন্মায়নাই, তবু যারা তখন ছিলেন জ্ঞ্যানী গুণী তাদের অনেকেই কিন্তু অস্বিকার করেছেন, সন্দেহ করেছেন চাদে যাওয়া টা মিথ্যা ছিলো। পরে অনেক ভাবে খুজে, অনুসন্ধান করে আজকের বিজ্ঞান জানে আসলেই এ্যপোলো ১১ সেদিন চাদে যায়নি, চাদে কোন মানুষের পা ও পড়েনি তখন।

চাদে যেতে কি লাগে ? একটা রকেট, তো চলেন সে সময় থেকে ঘুরে আসি, বিল কেইসিং ছিলেন সে সময় । কাজ করতেন রকেটডাইন কম্পানীতে এর একজন পর্যবেক্ষক ও ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। কি ভাবেন ? জী এ্যাপোলো সিরিজের ডীজাইন তার করা।  যার ডিজাইন সে তার বইয়ে কি লিখছে একটূ শুনে যান, বই টার নাম "“উই নেভার ওয়েন্ট টু দি মুন” আর প্রকাশিত হয়ে নিষিদ্ধ হয় ১৯৭৪ সালেই। উনি লিখেছিলেন "অ্যাপোলো মিশন ছিল শুধু বড় একটা মিথ্যা। এই মিশন এর সম্পূর্ণটাই ছিল ধোঁকাবাজি, যাকে আমরা বলতে পারি আইওয়াস।" উনি এমন অনেক প্রমান দেন যা এ্যাপোলো মিশন কে প্রশ্নবিদ্ধ করে। wiki link

বিল কেইসিং আরো বলেন “অ্যাপোলো মাহাকাশযান গুলো সত্যি মহাকাশে গিয়েছিল কিন্তু চাঁদে মানুষ পাঠানো হয়নি। অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানটি ৮ দিন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরেছিল মাত্র। আর টিভিতে পূর্বে ধারণ করা মহাকাশচারীদের ভিডিও ও ছবি দেখানো হয়েছিলো। ৮ম দিনে মহাকাশযান থেকে মূল যানটি আলাদা হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

ব্যাপার টা নিয়া বেশ মজা করা হয়, অনেকে তো বলেন চাদে মানুষ যাবার যে ভিডিও আমরা দেখছি তা সবথেকে বিগ বাজেট মুভি ছিলো ইতিহাসে 😛 😛 ১৯৭৮ সালে মুক্তি পাওয়া একটা মুভি “কেপ্রিকন ১” এর কিছু সিন এ্যাপোলো এর অভিজানের সাথে একদম মিলে যায়, যদিও কোয়ালিটি ভালো ছিলো অনেক ক্ষেত্রেই, প্রযোজক পল ল্যাযারুস বেশ রসিক মানুষ, উনি বলেন " নাসার ৪০ বিলিয়ন বাজেটের প্রোগ্রাম অ্যাপোলো মিশন-এ যে ভিডিও দেখিয়েছে তা আমি মাত্র মাত্র ৪ মিলিয়ন বাজেট নিয়ে করে দেখিয়েছি এবং তা করেছি একটা একটা টিভি স্টুডিও-তে। "

শিমুল ভাই কই হইলো এই শুটিং ?

গত আর্টিকেল টায় লিখছিলাম, আমেরিকার সবথেকে গোপন মিলিটারী এয়ার বেস "এরিয়া ৫১" তে করা হয় এই শূটিং।

কেন এই নাটক ? এটাও গত আর্টিকেল টায় লিখছিলাম, ওটা দেখলেই বুঝে গেছেন।

থামেন তো ভাই, কি কি কইতেছেন, প্রমান আছে কোন ?

প্রমান ছারা আপনার পচানী খাইতে টিউন করতে বসছি নাকি !!! নিচে দেখতে থাকেন

রাশিয়া আমেরিকান দন্দ তো সেকাল থেকেই, আসেন রাশিয়া কি বের করলো দেখি, এরিয়া ৫১ কিন্তু মানুষের সামনে নিয়ে আসছিলো রাশিয়া, তাদের স্যাটেলাইট

দিয়ে তোলা ছবি দেখিয়ে। আর আমেরিকান সরকার একটা ছবি নিয়েও কোন হৈচৈ করে নাই যে তা ভুয়া। আসেন কিছু ছবি দেখি

বাম পাশের টা এরিয়া ৫১ এর একটা গর্তের ছবি বুঝছেন, আর ডান দিকের টা নাকি চাদের ছবি, অন্তত আমেরিকা পৃথিবীকে তাই দেখিয়েছিলো।

এটা এরিয়া ৫১ এর উপর থেকে নেয়া ছবি, অনেক আগের, বলা হয় এটাই সে মুভি সেট যেখানে চন্দ্র অভিজান সিনেমার শুটিং করা হয়।

এ ছবিটা দেখছেন না আগে ? চাদে অভিযান নিয়ে মাথা ব্যাথা থাকলে দেখার কথা। কিন্তু দুঃখিত !!!! এটা গুগল আর্থ দিয়ে দেখা এরিয়া ৫১ এর একটা অংশের ছবি 😛 😛 আগের পোস্ট এ বিস্তারিত দেয়া আছে, আপনিও একটু দেখে আসেন চাদ রে পৃথিবীর বুকে 😛

এবার চলেন চাদে যাই।

রকেট ইঞ্জিন এর শব্দের মাত্রা ১৪০-১৫০ ডেসিবল।  এক কথায় রকেট ইঞ্জিন অনেক উচ্চ মাত্রার শব্দ উৎপন্ন করে। কিন্তু লুনার মডিউল এর চাঁদে অবতরণের নাসার অফিসিয়াল ভিডিওতে কোন ইঞ্জিন নয়েজ ছিলও না। ভিডিওতে দেখা যায় মহাকাশচারীদের কথা স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, যেখানে ইঞ্জিনের কোন আওয়াজ নেই। বিল কেইসিং অ্যাপোলো মিশন এর ছবিগুলো পরীক্ষা করে দেখেন কিন্তু লুনার মডিউলে কোন ব্লাষ্ট ক্রিয়েটর দেখতে পাননি। প্রতিটি রকেটের পিছনে ব্লাষ্ট ক্রিয়েটর থাকে। যা দিয়ে রকেট-এর পিছন দিকে উচ্চ মাত্রায়ের চাপ সৃষ্টি করা হয়। যা রকেটকে প্রচণ্ড গতিতে উপরের দিকে যেতে সাহায্য করে। এটা ছারা কিছু চাদে যাওয়া অসম্ভব,

ছবিটা লুনার মডিউলের চাঁদে অবতরণের পর তোলা।

রকেট ইঞ্জিন অনেক শক্তিশালী হয়। চাঁদে অবতরণ করার সময় এবং উত্থান কালে যে পরিমান চাপ রকেট দিবে তা চাঁদ এর ধুলাবালি উড়িয়ে দিবে। সুতরাং লুনার ল্যান্ডার এর আশেপাশে কোন ধারনের পদচিহ্ন থাকার কথা না। কিন্তু দেখতে পাই লুনার মডিউল চাঁদ থেকে ফিরে আসার পরও চাঁদে রেখে আশা ক্যামেরা থেকে পাঠানো ছবিতে লুনার ল্যান্ডার এর আশেপাশে অনেক পায়ের চিহ্ন। বুঝেন ঠেলা, এগুলা শিওর ভুতের , নাহলে চাদের দেশের বুড়ি এখানে আসছিলো ।

চাঁদে কোন বাতাস নেই। কিন্তু ভিডিও-তে অ্যামেরিকান পতাকা উড়তে দেখা যায়। যা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।১৯৬৯ সালে আমরা এই তথ্য না জানলেও এখন জানি, কেউ আবার বলবেন না যে তখন ছিলো, এখন ডারউইনের বিবর্তনবাদের কারনে বাতাসের বিবর্তন হই গেছে।

 

এই ছবিগুলো দেখেন ভাই, চাদে সুর্য দুটো নাকি, ছায়া দুটা দুদিকে কেন !!!! লাইটিং এর একটু ভুলের কারনে ধরা টা খাইলো।

এহহে, এত সুন্দর একটা ছবি, সুধু হেলমেট এর মনিটরের দিকে লক্ষ্য করলে ধরা টা খেতে হয়, ধরলাম যে ছবি তুলছে তার পেছনে আছে আলো, তাইলে ছবিতে যারে দেখতেছি তার ফেসে আলো ঠিক আছি, কিন্তু সে ফেসের হেলমেটে ক্যামেরাম্যান রেও ক্লিন দেখা যায় কেন !!!!! ইসসসস ইটস নট ফেয়ার, এমনে ধরা ? :/ :/

থাক আর ছবি না দেখাই, এবার একটু বিজ্ঞানে আসি, আসলে সত্যি বলতে রেডিয়েসন থেকে বাচার মত যথেষ্ট প্রযুক্তি ই আমাদের ছিলো না, যেটুকু ছিলো তার সিকিভাগ ও ছিলো না এ্যাপোলো এর বডিতে, মহাকাশচারীদের পোষাক ও রেডিয়েশন এর উপযুক্ত ছিলো না। সো এর কাছে যাওয়ার পর ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে যাওয়ার কথা, নাসার কোন চন্দ্রজয়ীর আজকে পর্যন্ত কিছু হয় নাই।

এবার একটা ভয়াবহ তথ্য দেই, চাদে দিনের বেলা তাপমাত্রা থাকে ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর উপ্রে আর রাতে -২৫০ এর নিচে । এবার আসেন কথায়, তাপ টা বুঝতে পারতেছেন ? এইযে নরক টাইপ গরম এখন কোথাও কোথাও তা ৪০ এর কাছাকাছি থাকে, সেখানে ২৫০ ? ১০০ তে পানি ফুটে যায়।  নাসা কে অবশ্য বলা হইছিলো তাদের মহাকাশ চারীদের পোষাক পড়িয়ে কাউরে এই তাপে রেখে দিতে ১০ মিনিট , বেচারা যে রাজি হয়নি।

আর নাহ, আপনার আরো যদি জানতে ইচ্ছে করে খুজুন, পেতে সময় লাগবে না। অনেক প্রমান দেখাতে পারবেন, এটা আছে, ওটা আছে সো মানূষ চাদে গেছে । এখন চিন্তা করেন যারা আপনারে এত বড় একটা বিষয় নিয়ে ৪০ বছর ধোকা দিছে ভুয়া ছবি আর ভিডিও দেখায় তারা আর কি কি করতে পারে এটা নিয়া। জ্ঞ্যানীরা জ্ঞ্যান অর্জন করে, চিন্তা করে, তর্ক করে না। ধন্যবাদ।

লেখা টা এর আগে আমার সাইট ফাজলামী ডট কম এ প্রকাশিত, আর আমার  ফেসবুকে খানিক টা লেখি

Level New

আমি শিমুল শাহরিয়ার। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 11 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 90 টি টিউন ও 497 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

আমার সম্পর্কে আমি নিজেও খুব বেশী একটা জানি না । তাই কিছু বলার/লিখার সাহস পেলাম না , আমার সাইট http://www.fajlami.com


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। সত্যি আপনি আজ সত্যকে সবার সামনে প্রকাশ করলেন প্রমাণ দিয়ে।

♣♣♣ আমি আপনাদের কিছু কথা বলতে চাই জানিনা আপনারা আমার সাথে একমত হবেন কি না?
আমেরিকা আরও বেশ কিছুদিন ধরে এই পৃথিবীকে শাসন করবে। কেন করবে তার কিছু প্রমাণ দিতাছি এবং এইসমস্ত বিষয় প্রত্যাখান করতে না পারলে আমেরিকার রাজত্ব শেষ হবে না হয়ত।
১. ইন্টারনেট-এর আমেরিকার ছোয়া আছে এমন সব জিনিয় ত্যাগ করতে হবে (যেমন- Window, Gmail, Hotmail, Facebook, twitter etc কারন এগুলোর মাধ্যমে আমেরিকা সবদেশকে ট্রাকিং করছে যা আমরা বুঝতেই পারছিনা)
২. এশিয়ার মধ্যে শক্তিশালি দেশগুলো একত্রিত হতে হবে যাতে ইউরোপভুক্ত দেশগুলো এখানে মাস্তানি দেখাতে না পারে।
৩. আমেরিকা প্রতিবছর সামরিক খাতে ৬০ হাজার বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে যা অন্য দেশের পুরো বাজেটের সমান। কিন্তু যখন কোন দেশ ১০ হাজার মিলিয়ন ডলার সামরিক খাতে ব্যয় করে আমেরিকার তখন মাথা ব্যথা শুরু হয়। তাই সামরিক খাতে কত ব্যয় করলাম তার সঠিক তথ্য এশিয়ার কোন দেশকে জনসম্মুখে প্রকাশ না করা।
৪. সর্বোপরি নিজ দেশের মধ্যে যাতে কোন ষড়যন্তমুলক আন্দোলন হয় সেদিকে সর্বোচ্চ নজর দিতে হবে।

উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলোর মাধ্যমে আমেরিকা গোটা বিশ্বকে ট্রাকিং করছে। আমি আজ আপনাদের বলে যাচ্ছি একদিন না একদিন আমেরিকার পতন হবে হবেই।

    @শহিদুল ইসলাম: আমি এমন কোন সম্ভাবনা দেখতেছি না আমেরিকার পতনের। আর যেগুলো সাইট বন্ধ করতে বললেন ব্যাবহার, আমি নিজেই ন্যাংড়া হয়ে যাবো এগুলো বাদ দিলে, আমার কিছুই বাদ দেয়ার ইচ্ছা নাই, ধন্যবাদ আপনাকে

    Level 0

    @শহিদুল ইসলাম: এই সব কি আলতু ফালতু যুক্তি দিছেন মানি বাংলাদেশ এত উন্নত না তথ্য পজুক্তির দিক দিয়ে কিন্তু এমন অনেক দেশ আছে যে তথ্য পজুক্তির দিক দিয়ে অনেক উন্নত যাদের বুকা বানানো এত সহজ নয় @শহিদুল ইসলাম

    আর শাহরিয়ার শিমুল ভাই আপনার সব যুক্তি ই থিক আছে কিন্তু একটা জিনিষ মানতে পারতে ছি না যে এত বড় নাসা কোম্পানি যার কাছে আছে পিথিবির সবচে অবিজ্ঞ লুক তারা এত ছুট খাট ভুল করল কি ভাবে কারন চাদে কি করলে কি হয় কেমন অবস্থা কি কি আছে আপনি যার বিত্তিতে সব ভুল দরছেন এ সব কিছুই ত নাসা ই আমাদের জানিএ ছে তা হলে তারা এ সব ভুল করল কি ভাবে তারা কি এতই বুকা যে বলছে একটা আর করছে আর একটা

are you mad….?

এই টিউন্স যে লিখেছে, আর যে প্রথম কমেন্ট করেছে , তারা উভয়েই পাগল । বস মানুষ কেন বিভ্রান্ত করতেসেন? ইন্টারনেট থেকে ইংলিশ টিঊটরিয়াল এর বাংলা অনুবাদ করে ছেড়ে দিচ্ছে টেকটিউন্স এ। আরেক জন লিখসে উইন্ডোজ ত্যাগ করতে …………… কেউ আম্রে মাইরালা…………… খোঁজ নিয়ে দেখেন , হেতেও চুরি করা উইন্ডোজ ব্যাবহার করে।

    @রিয়াদ রহমান: বিভ্রান্ত করে আমার ব্যাক্তিগত লাভ কি হবে জানাবেন, তারপরে বিভ্রান্তকর পোস্ট লেখা শুরু করবো লাভের মুখ দেখলে। আপনি সম্ভবত আমার আগের কোন টিউন দেখেন নি। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

      [email protected]শাহরিয়ার শিমুল: ভাইয়া, আপনার আগের পোস্ট আমার দেখা । এবং ভালই লাগত । কিন্তু এই পোস্ট টি বাদে । এই জন্য যে, আপনি শুধু অন্য কোন পোস্ট এর বাংলা রূপ দিয়েছেন । আপনি যেমন চাদে যাননি , আমিও নই । তাই আমাদের পক্ষে সেটা পরীক্ষা করা সম্ভব নয় । সেক্ষেত্রে , সবাই যেটা মেনে নিয়েছে , সেটাকে কোন প্রমাণ ছাড়া অস্বীকার করব কি করে? কত গুলো ছবি দেখে? দুঃখিত পারলাম না । তবে এটা ঠিক , ৭০০ কোটি মানুষের ভিতর কিছু মানুষ তো থাকেই যারা এরকম বিতর্ক তুলতে পছন্দ করে !

        @রিয়াদ রহমান: প্রতিবেদন টিউন গুলোর তথ্য আমরা সব টিউনার রাই সংগ্রহ করেই লিখি ব্রাদার, নিজে কি আর আবিষ্কার করবো নতুন করে বলেন।

        রিয়াদ রহমান সাহেব আমি তর্ক করছিনা, তবে প্রস্ন করি এর পরে কেন তারা আর চাদে গেলনা। মহাকাশ স্টেশনে তো দিন রাত সব সমই যাচ্ছে। তবে কেন সুধু আমেরিকা নই প্রিথিবির কন দেশিই আর চাঁদে যাচ্ছেনা ভাই? চাঁদে জাওয়ার মত কন প্রযুক্তই এখনও মানুষ অর্জন করতে পারেনি ভাই। আমার যদি সেরকম ক্ষমতা থাকে তবে মানুশ খুন করেও সাক্ষী প্রমান আমার পক্ষে আনতে পারি, পোস্টমারটম এর রিপোর্ট ও আমার পক্ষে আনতে পারি। কিন্তু আমার ক্ষমতা যেদিন শেষ হবে সেদিন আমি ধরা পড়বই ভাই।

দুঃখিত , টিঊটরিয়াল নয় পোস্ট…………

ভাই এই ব্যাপারে ইসলাম কি বলে? সেটা বলেন? আমি চোখ ব্ন্দ করে সেটা বিস্বাস করব? আমি যখন 5ম শ্রেণীর ছাত্র তখনো এটা বিস্বাস করি নি এখন তো দুরের কথা?

    Level 0

    @আব্দুর রব: ইসলাম ধর্মে কম্পিউটার , কি বোর্ড , ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছু লেখা আছে কি?
    এগুলো কি আপনে believe করেন ?
    believe না করলে আপনি জানলেন কিভাবে ব্রাউজারে কমেন্ট লিখে post comment বাটন চাপলে তা techtunes এর এই পোস্টে যুক্ত হবে।আর তা সবাই পরতে পারবে।
    এটাও নিশ্চয়ই ইসলাম ধর্মে লেখা নাই।

    কমেন্ট টি লিখতে অনেক খারাপ লাগল । কিন্তু অনেকেই ধর্ম নিয়ে এরকম বাড়াবাড়ি করে । যা দেখলে অনেক খারাপ লাগে।
    নিজের বারোটা বাজাক তাতে কোনও সমস্যা নাই , কিন্তু অন্যের চিন্তা ভাবনাও বদলিয়ে ফেলে।

    কষ্ট পাবেন না , যে আপনার আলোচনা করে সেই আপনার সবচেয়ে শুভাকাংখি ।

    Level 0

    @আব্দুর রব: তুমি কি বুকা না বুজে কমেন্ট কর কুড়ানে কি বলা আসে যে মানুষ চাদে জেতে পারবেনা ধর্ম নিয়ে কুন দিন কমেন্ট করলে ৫০০ বার ভেবে চিনতে করবেন

Level 0

প্রায় সবগুলোই তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ছড়ানো মিথ্যা প্রোপাগান্ডা। নাসা প্রায় সবগুলোরই উত্তর দিয়েছে।
তারচেয়েও বড় কথা পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপে এপোলোর ল্যান্ডিং সাইট দেখা যায়। আর চাঁদের পাথর গুলোর কথা এড়িয়ে গেলেন কেন? সেগুলিতো অনেক দেশের বিজ্ঞানীরাই পরীক্ষা করেছেন।

    @anofed: এত বড় একটা বিষয় নিয়া দুই দেশের মিথ্যার মাঝে কোন টা বিশ্বাস করি বলেন, ব্যাক্তিগত জ্ঞ্যান আর যুক্তিবোধ এর কাছে আমার যা সত্য মনে হয় লিখলাম, এ মতের সাথে একমত মানুষের সংখ্যাও নেহায়েত কম না , কি বলেন ?

    @anofed: এরিয়া ৫১ তে পড়ছিলাম এখন পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত মৌল নিয়ে গবেষনা হয়, আপনি চাদের পাথর নিয়া আছেন

মানুষ যে চাঁদে যায়নি একথা ১০০০০% সত্য । নিচের টিউনটা একবার দেখতে পারেন, আশাকরি আপনাদের আর এটা নিয়ে দ্বিধা থাকবে না ।
http://www.techtunes**.com.bd/how-to/tune-id/231318**
(techtunes এবং 231328 এর পর * তুলে দিন)
টিউনার ভাইকে ধন্যবাদ, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে টিউন করার জন্য ।

আমিও তাই মনে করি । ওই সময় চাদে যাওয়ার মত টেকনোলজি কখনই ছিল না ।আমেরিকা শুধু রাশিয়াকে হারানোর জন্য এই নাটক করেছে । @anofed & @রিয়াদ রহমান আপনার কি মনে হয় যে রাশিয়া কেন আজ পর্যন্ত মানুষসহ চাদে রকেট পাঠালো না । এই রাশিয়াই সর্বপ্রথম মহাকাশে মানুষ সহ (ইউরি গ্যাগরিন) পাঠায় ।আর তারাই এখন পর্যন্ত পারল না ( কি লজ্জার কথা ) 😛 । রাশিয়াই সর্বপ্রথম স্পেস প্রোগ্রাম চালু করে তার অনেক পরে আমেরিকা এট জানতে পেরে তারাও শুরু করে । আরও একটা কথা সর্বশেষ আমেরিকা মানুষ সহ চাদে রকেট পাঠায় ১৯৭২ সালে । এর পর আর কখনও পাঠায়নি কেন ? কেউ হয়ত বলবে অনেক খরচ, আরে ভাই আমেরিকার কাছে চাদে ১০ টা রকেট পাঠানোর খরচ কিছুই না ( তেলের খনির দালাল বলে কথা 😛 ) । আমেরিকা পৃথিবীতে যত ষড়যন্ত্র করেছে তার হিসাব রাখা মুশকিল । অবশ্য এর পরেই রয়েছে রাশিয়া । শুধু পার্থ্যক্য হল আমেরিকা বেশি ধরা খায় আর রাশিয়া কম ধরা খায়।।

সোজা বলতে গেলে কাউকেই বিশ্বাস করি না । যদি বলেন১৯৬৯ সালে প্রযুক্তি দিয়ে কিছু ভুয়া ছবি বানানো হয়েছে যা সেসময় নিখুঁত হিসাবে বিবেচিত হয়েছে । আজ ২০১৪ সালে প্রমান হিসাবে উল্লেখ করা ছবিগুলো প্রযুক্তির দ্বারা ডিজাইন কর হয়েছে কিনা তারই বা গ্যারান্টি কি?
একটা সময় ছিল যখন বিশ্বাস করা হয়েছিল পৃথিবীর চারদিকে সূর্য্য ঘোরে। পরিক্ষার খাতায় এটা না লিখলে নম্বর দিত না। আর আমরা ছোট বেলায় শিখেছি পৃথিবী সূর্য্যের চারিদিকে ঘোরে । বিশ্বাস যাই করি না কেন আমি বলব আমি যেটা শিখেছি । তাই আমাদের বলা উচিত্‍ চাঁদে মানুষ গিয়েছে ।এটাই সত্যি

    @জি এম পারভেজ@liTu: আপনে এটা একটা কথা কইলেন ? দিন বদলাবে, নতুন কিছু আসবে, আর আপনি সেই আমলে যা শিখছেন তাই মেনে নিয়ে বসে থাকবেন ?

চান মামার তো বাতাস নাই। তাইলে আমেরিকার পতাকাখান ক্যামনে পত পত কইরা উরতাসে জানবার মুনে চায়। অইখানেও কি মুসা-মুহিত মামু গেল নাকি? চান্দে মানুষ যায়, যারা মানেন, তারা আমার এই প্রস্নের উত্তরখান দেন দেহি।

    @Soumik zaman: আমি নিজেও সেটাই বলি 🙂

সবাই কোন একটা অজানা কারনে যুক্তি গুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন আমার লেখাটার ( যারা বিরোধিতা করতেছেন আরকি ) আমি অবশ্য উইকি লিঙ্ক ও দিয়া দিছি, অন্তত কেউ কইবো না শিমুল ভাই ওয়েব ডেভেলপ ছাইরা দিয়া ফটো এডিটিং ধরছে।

    @শাহরিয়ার শিমুল: @শাহরিয়ার শিমুল: ha ha ha…. 😀

Level 0

Apnar moto gordop tunner dakha ar comment na kora parlamna.
Gobasona korta thakan Soviet union ar false message nia.

Level 0

Ar gordop volar karon apnar gravity, light, space, time travel gan kom.

বরাবরের মত এইবারও সেইয়া !!!

Level 0

আপনার যুক্তিগুলো শক্তিশালী, একথা সঠিক। তবে আমাদের যেভাবে শিক্ষা দেয় আমরা সেটা কেই ঐশী বানীর মতোই সত্যি মনে করি, যদিও বই পুস্তক মনগড়া এবং বিতর্কিত প্রমাণ দিয়ে পূর্ন।

বলতে পারেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ কোনটি?
কেওক্রাডং এর নাম বলবেন কি? ও না, সেটা অনেক আগেই ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে!

বাংলাদেশেও যে আগ্নেয়গিরি (মৃত) আছে, সেটা কেউ কখনো বই পুস্তকে পেয়েছেন? জানা থাকলে উত্তর টা দিয়েন!

    @Aslam: সামনে একটা পিসি আর নেট থাকলে প্রশ্ন করে কাউকে আটকানো যায় না ভুলে গেছেন ভাই ? 😛

ভাই আপনার পোষ্ট টিতে মতামত না দিয়ে পারলাম না।এর উপর ডিসকোভারি চ্যনেল এ ১-১.৫ বছর আগে এক প্রতিবেদন দেখে ছিলাম এবং চিন্তা করতাম এগুলো কি সঠিক না মিথ্যা? কিন্তু যখই সভিয়েত উনিয়ন এর যুক্তির উপর ভি্ত্তি করে এই প্রতিবেদন করা হেয়েছেএবং কিছু পাগল সাইনটিস্ এই গুলো সাই দিয়ে গেছে তারা কোন দিনও চাই নি সব মানুষএক হয়ে এক সাথে থাকি। সভিয়েত ইউনিয়ন যদি ভালো হতো তবে তার নিজেরা নিজেরা কোন দিন মারামারি করতো না।তাহলে বুঝেন কি অবস্থা???আর রাশিয়া এক সময় বিশ্বের অন্যতম একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র ছিল কিন্তু আজ সভিয়েত ইউনিয়ন এর জন্য এতো অধপতন আরো হবে যদি এমন ফাউল প্রতিবেদন প্রকাশ করে।আর আপনিও হবেন যদি তাদের সাথে সহমত প্রকাশ করেন।তাই ভাই এই সব আজাইরা প্রতিবেদন নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে ভালো কিছু লিখেন।মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে দু:খিত।কষ্ট দেয়ার জন্য কথা গুলো বলিনি।সত্য টুকু বলার চেষ্টা করেছি। করন পৃথিবীর 4G এর যুগে আপনি যদি সেই পিছে পরে থাকেন তবে দেশ আগাবে কেমনে????

নিল আর্মস্ট্রং চাঁদে গিয়েছিল এটা অনেকে বিশ্বাস না করলেও আমাদের দেশের একজন যে চাঁদে গেছে সেটা অনেকেই বিশ্বাস করে!!!

আমি মনে হয় ভবিষ্যত দেখতে পাই ইদানিং, পোস্টের শেষে “জ্ঞ্যানীরা জ্ঞ্যান অর্জন করে, চিন্তা করে, তর্ক করে না। ধন্যবাদ।” লাইন টা কি জন্য লাগাইছিলাম জানতি বুঝতে পারছে ?

আমেরিকা এতো যখন পারে চাঁদ তো অনেক পরের ব্যাপার, এই earth এ লাষ্ট যে মালয়সিয়ান বিমানটা নিখোঁজ হয়ে গেলো সেটার সন্ধান দিকে আগে, পরে চাঁদ নিয়ে ভাবা যাবে।

চাদে মানুষ যায়নি… এর উপর আমার কাছে একটা ভিডিও ডকুমেন্টারি আছে আর সেই সাথে সেটা আরো স্পষ্ট………… বিশ্বকে শাসন করার জন্য দরকার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান, আর সেটাই করেছিলো আমেরিকা…… আর চাঁদের দেশ থেকে ফেরার পর নিলু, কলি অল্ডি ভাইগে কাউরে ওপেন মিডিয়ার সামনে যেতে দেওয়া হত না……

Level New

ভাই আমি আপনার সাথে একমত!!

Level 0

@শাহরিয়ার শিমুল……ভাই আমি কোনটাকে সত্যি বলছি না… আর আমি নিজে ও যেহেতু এ সম্পর্কে তেমন জানি না তাই উপযুক্ত যুক্তি হবে আমার শেষ ভরশা…

অনেকের ধারনা আপনি চাঁদে মানুষের না যাওয়া নিয়ে রাশিয়ার মত গুজব ছড়াচ্ছেন…

ঠিকাছে তাহলে আপনি আপনার গুজব এ যে এত গুলো যুক্তি তুলে ধরেছেন তাদেরকে আপনার সেই যুক্তি গুলোর বিরুদ্ধে নেট ঘেঁটে দয়া করে উপযুক্ত যুক্তি দাঁর করাতে বলেন…………
তবেই সকলে মেনে নিব চাঁদে মানুষ গিয়েছে।
এ মন্তব্য করে কাওকে কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত

Level 0

“এটা এরিয়া ৫১ এর উপর থেকে নেয়া ছবি, অনেক আগের, বলা হয় এটাই সে মুভি সেট যেখানে চন্দ্র অভিজান সিনেমার শুটিং করা হয়।
এ ছবিটা দেখছেন না আগে ? চাদে অভিযান নিয়ে মাথা ব্যাথা থাকলে দেখার কথা। কিন্তু দুঃখিত !!!! এটা গুগল আর্থ দিয়ে দেখা এরিয়া ৫১ এর একটা অংশের ছবি 😛 😛 আগের পোস্ট এ বিস্তারিত দেয়া আছে, আপনিও একটু দেখে আসেন চাদ রে পৃথিবীর বুকে”

এই মুভি সেট যদি সত্যিই ব্যবহার হইত , তাইলে আমাদের চিত্তবিনোদনের জন্য সেটা google earth এ থাকত না।google earth এর বাপ দাদা সব ওদেরই।

“রকেট ইঞ্জিন এর শব্দের মাত্রা ১৪০-১৫০ ডেসিবল। এক কথায় রকেট ইঞ্জিন অনেক উচ্চ মাত্রার শব্দ উৎপন্ন করে। কিন্তু লুনার মডিউল এর চাঁদে অবতরণের নাসার অফিসিয়াল ভিডিওতে কোন ইঞ্জিন নয়েজ ছিলও না। ভিডিওতে দেখা যায় মহাকাশচারীদের কথা স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, যেখানে ইঞ্জিনের কোন আওয়াজ নেই।”

শব্দ পরিবহনের জন্য কি লাগে ? বাতাস।
চাদে কি বাতাস আছে ? নাই।
শব্দ শুনতে চান কি দিয়া?
তাইলে ওদের কথাবার্তা শুনলেন কিভাবে?ওরা এয়ারটাইট স্যুট পরা আর মাইক্রোফোন স্যুটের ভিতরে ।
উনারা যদি এই পোস্ট পরতেন তাইলে ইঞ্জিন রে ও এয়ারটাইট স্যুট পরাইয়া তার ভিতর মাইক্রোফোন সেট করতেন।

“চাঁদে কোন বাতাস নেই। কিন্তু ভিডিও-তে অ্যামেরিকান পতাকা উড়তে দেখা যায়। যা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।১৯৬৯ সালে আমরা এই তথ্য না জানলেও এখন জানি, কেউ আবার বলবেন না যে তখন ছিলো, এখন ডারউইনের বিবর্তনবাদের কারনে বাতাসের বিবর্তন হই গেছে।”
আমরা জানি বাতাস না থাকলে পতাকা নিস্তেজ হয়ে পরে থাকে।
ঠিক আছে।কিন্তু এই নিস্তেজ হয়ে পরে থাকার কারণ কি ? মধ্যাকর্ষন শক্তি পতাকারে নিচের দিকে টানে।
চাঁদে কি মধ্যাকর্ষন শক্তি আছে ? নাই ।
তাইলে পতাকা টারে কেউ যদি একবার সোজা করে রাখে , অই পতাকার তো আর নিচে নামার কথা না।
বাতাস না থাকলেও পতাকা শুন্যে ভাসতে থাকবে।

উপরের লাইনগুলা সত্যি , কিনতু তার থেকেও বড় কথা Г শেপের একটা রড অইদিন পতাকার ভিতরে ডুকানো ছিল ।
সুতরাং পতাকার কাপর ধরে কেউ ঝুললেও কাপড় টলবে না।
http://en.wikipedia.org/wiki/Lunar_Flag_Assembly

আপনি আর দয়া করে এই বিষয়ে কিছু লিখবেন না ।
আপনি শুধু চাঁদ অভিজানকেই না বলতেছেন না , আরও অনেক ক্ষতি হইতেছে এইসব লেখার কারনে।

    @tuhinbc: চাঁদে মধ্যাকর্ষন শক্তি নাই এটা আপনারে কে কইসে। প্রতিটি গ্রহর মধ্যাকর্ষন শক্তি থাকে। আমার মতে ১৯৬৯ সালে ছাদে যাবার মত কোনো প্রযুক্তি ছিল না।
    আমরা জানি দিন দিন প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। তখন যে প্রযুক্তি দিয়ে আমেরিকা চাঁদে গিয়েছিল এখন সে প্রযুক্তি কে আরো উন্নতি করে তারা চাঁদে মহাকাশ স্টেশন বা আরো অনেক কিছু তৈরী করতে পারত। তারা কি সেটা করেছে ? এমনকি ১৯৬৯ সালের পর চাঁদে যাবার আর নাম গন্ধ নাই। মঙ্গলে যদি এতগুলো রকেট পাঠাতে পারে তাহলে ১৯৬৯ সালের পর চাঁদে কেন আর মানুষ পাঠাচ্ছে না ?

      Level 0

      @tarshidahmodkhan: হ্যা আমার ভুল হইছে । চাঁদে মধ্যাকর্ষন আছে । কিন্তু তা পৃথিবীর ৬ ভাগের এক ভাগ । আর ওখানে ATMOSPHERE নাই তাই পতাকা শুন্যে অন্তত কিছুক্ষন ভাসার কথা।
      আমি physics জানি না।ভুল হইতে পারে।
      কিন্তু Г শেপের রডের কথা ভুলবেন না যা পতাকাকে শুন্যে ভাসাতে যথেষ্ট।

    @tuhinbc: চাদের আকাশে তো তারা দেখা যাবার কথা। তারা দেখা যাচ্ছে না কেন ? আমরা গ্রামে বা কোনো বড় খোলা জায়গায় পরিস্কার আকাশে অনেক তারা দেখতে পাই । ফলে চাদের আকাশ তো পরিস্কার থাকার কথা ? পরিস্কার না হোক অন্তত কিছু তারা তো দেখা যাবার কথা । আর আকাশ তো এত অন্ধকার থাকে না।

      Level 0

      @tarshidahmodkhan: @tuhinbc: আরও একটা বিষয়, চাদে বায়ুমন্ডল নাই তাই চাদের আকাশ কালো দেখাচ্ছে।
      এই কালো আকাশ দেখে মনে হতে পারে যে চাদে তখন রাত ছিল ।

একটি প্রশ্ন ! আমেরিকানের পতাকা কি ভুত এ উড়াইতাছে না ফু দিয়া উরাইতাসে নাকি ফান দিএ গেসিল ?

যারা এই টিউন বিশ্বাস করছেন না,তারা জবাব দিন তো “যদি চাঁদ এ ই যাইত, তাইলে আমেরিকার পতাকা পত পত করে উড়বে কেমনে? চাঁদ এ কিন্তু বাতাস নাই”

আর “এরিয়া ৫১ কে নিষিদ্ধ জায়গা বলসে কেন আমেরিচা?কাহিনি কিছু বুঝেছেন?”

আর আমেরিকার টাকার কিন্তু অভাব নাই!টাকা দিয়ে সবার ই মুখ বন্ধ করতে পারবে -_- নাহলে স্নোডেন/এসাঞ্জ এর মতই ভুগতে হবে,ঠিক আছে? 😐

শিমুল ভাই,আমি আপনার আগের পোষ্টগুলো পড়েছি আর আপনি যে যুক্তিগুলো দেখিয়েছেন তা অনেকটাই বিশ্বাসযোগ্য তারপরও সবার মত প্রকাশের অধিকার আছে।বিশ্বাস করা না করা যার যার ব্যাপার। তবে কথায় জেতার চেষ্টা না করে বা অ্যাটাক না করে এর স্বপক্ষে কোন যুক্তি বা প্রমাণ উপস্থাপন করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনার কাছ থেকে এরকম আরও তথ্যনির্ভর ও বাস্তব ধর্মী টিউন আশা করছি।

শহিদুল ইসলাম ভাই = আমেরিকা প্রতিবছর সামরিক খাতে ৬০ হাজার বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে কথাটা ভুল === আমেরিকা প্রতিবছর সামরিক খাতে ৬০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে

Level 0

ভাই আপনার সব যুক্তি ই থিক আছে কিন্তু একটা জিনিষ মানতে পারতে ছি না যে এত বড় নাসা কোম্পানি যার কাছে আছে পিথিবির সবচে অবিজ্ঞ লুক তারা এত ছুট খাট ভুল করল কি ভাবে কারন চাদে কি করলে কি হয় কেমন অবস্থা কি কি আছে আপনি যার বিত্তিতে সব ভুল দরছেন এ সব কিছুই ত নাসা ই আমাদের জানিএ ছে তা হলে তারা এ সব ভুল করল কি ভাবে তারা কি এতই বুকা যে বলছে একটা আর করছে আর একটা

দেখলাম ভিডিও গুলি। চাঁদে নীল ভাই যাননি তার প্রমান মিলেছে।

আমারে কেউ চাঁদের একটা টিকিট দে । ‍আমিও যামু 😀

Level 0

ভাই, সবই মানলাম! আমিও চাদে যায় নাই, আপনিও যান নাই! তাই প্রথমত পোস্টের টাইটেল হওয়া উচিত ছিল এমন কিছু “চাঁদে মানুষ গেছে, সত্য না মিত্থাঃ যাচাই করি” – সরাসরি এইভাবে নাসা কে ব্লেইম করার মত যোগ্যতা আমার বা আপনার নাই।
আপনি এই যুক্তি প্রমান কই পাইছেন আমার জানা নাই, তবে দুই একটা যুক্তি নিজের চেষ্টায় উত্তর দিয়ে দেইঃ
১. এরিয়া ৫১ তে যে গর্ত ওই রকম গর্ত পৃথিবীতে আরও বহু জায়গায় পাবেন
২. পায়ের ধুলার টা তো বোকামির যুক্তি। কারন, যখন ওই লুনার মডিউল চাঁদে নামে তখন বাতাসের ধূলায় সব উরে যায়। এরপরে মহাকাশচারীরা হাটার সময় তাদের পায়ের ছাপ পরে। কিন্তু তখন তো আর ইঞ্জিন সচল ছিল না, তাই ধুলা উড়ার কিনবা ইঞ্জিনের শব্দের প্রশ্ন আসেনা।
৩. চাদের লাইট সোর্স/রিফ্লেকটর একটানা! তাই বিভিন্ন ভাবে ছায়া পড়তেই পারে।
৪. কোন আলাদা লাইট সোর্স দিয়ে ছবি তুললে হেলমেটে সেটার রিফ্লেশন হতে পারত কিংবা আমরা সেখানে অন্য কাওকে দেখতে পারতাম। কিন্তু সেটা দেখা যাচ্ছে না। আর অন্তত সেই সময়ে ফটোশপ ছিলোনা যে এডিটেড ছবি বলবো :v

পুনশ্চঃ আমি নিজেও ব্যাপারটা নিয়ে বিভ্রান্ত! কিন্তু সত্যি যত দিন সর্বজনীন এবং অকাট্য ভাবে প্রমাণিত না হচ্ছে ততদিন বর্তমান কেই সত্য ধরে এগোতে হবে!

টিউনের শিরেনামেই তো ভুল….? চাঁদে হবে।

এ ভাই, পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুদ্ধ হইছে, থামেন এইবার।

Comments are closed.