ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

Kaspersky Free – বৈধ ভাবে ও ফ্রিতেই নিয়ে নিন Kaspersky অ্যান্টিভাইরাসের অফিসিয়াল লাইসেন্স আর ব্যবহার করুন নিশ্চিন্তে

টিউন বিভাগ ফ্রিওয়্যার
প্রকাশিত
জোসস করেছেন

হ্যালো টেকটিউনস জনগণ, কেমন আছেন আপনারা সবাই? টেকটিউনসের নিত্যনতুন টপিক আর সার্ভিস নিয়ে ভালো না থেকে আর উপায় আছে? আর এই নিত্যনতুন টপিক আর সার্ভিসের ধারা বজায় রাখার নিমিত্তে, আজকে আমি আপনাদের সাথে একদম নতুন একটি টপিক নিয়ে হাজির হলাম। আর আপনারা এই টিউনের মাধ্যমে জানতে পারবেন অনেক নতুন নতুন সব তথ্য।

ADs by Techtunes ADs

আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো Kaspersky অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ফ্রিতে ব্যবহার করার কৌশল নিয়ে।

চার বছর আগের কথা, ২০১৬ সালের দিকে Kaspersky তাদের Kaspersky অ্যান্টিভাইরাসের ভার্সন চীনে চালু করেছিল, এবং এটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করলেই এনাবেল হয়ে যায় মানে একটিভ হয়ে যায়। তখন অনুমান করা হয়েছিল যে, এটি শুধু চায়নার জন্য কাস্টমাইজড ভার্সন। তবে এর আগে, WinRAR এবং WinZip এই জনপ্রিয় কমপ্রেশন সফটওয়্যার দুইটি চীনে ফ্রিতে ব্যবহার করা যেত, এবং যদিও এর সফটওয়্যার দুইটির ফাংশনালিটি কিছুটা কাস্টমাইজড করা হয়েছিল, তবে পার্সোনাল ব্যবহারের জন্য এর ফাংশনালিটির কোন পার্থক্য ছিল না (তবে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স কিনতে হতো)। Kaspersky এর প্রতিষ্ঠাতা Eugene Kaspersky তার ব্লগে সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন যে, Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সারা বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। গত বছর, এটি রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ, চীন এবং কিছু ইউরোপীয় দেশে ফ্রিতে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। আর বলা হয়ে এটা করার জন্য Kaspersky ব্যবসায়ীক ভাবে অনেক সফল হয়েছিল।

Kaspersky Free অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি বর্তমানে উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বর্তমানে, Kaspersky ম্যাক বা মোবাইলের ডিভাইসের জন্য ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস সার্ভিস দিচ্ছে না। এই ফ্রী ভার্সনটি ইনস্ট্যান্ট প্রোটেক্টশন এবং অ্যান্টিভাইরাস ফাংশন সার্ভিস দিয়ে থাকে। এছাড়াও এটি বিপজ্জনক ফাইল, ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন ওপেন করার আগে আপনাকে সতর্ক এবং অটোমেটিক ভাবে তা ব্লক করতে পারবে। কিছু ব্যবহারকারী মনে করেন যে, Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি ইন্টারনেট প্রোটেক্টশন ছাড়া আর কোন সার্ভিস ই দিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, ইন্টারনেট প্রোটেক্টশন ছাড়া যেকোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ১০০% প্রোটেক্টশনের গ্যারান্টি দিতে পারে না। আর এটি পুরনো কথা যে যারা তাদের মেশিন কে ভাইরাস মুক্ত রাখতে চান তাদেরকে অবশ্যই ইন্টারনেট থেকে ট্রাষ্টেড ফাইল ডাউনলোড করতে হবে।

তাদের অফিসিয়াল ব্লগ থেকে আপনি বিশ্বের বেশ কয়েকটি বড় দেশে Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস এর ওপেনিং টাইম দেখতে পারবেন। যেমনঃ তাইওয়ান “APAC wave 1” এর তালিকাভুক্ত, যা এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে পড়েছে। আপনি এখান থেকে ফ্রিতে এটি ডাউনলোড এবং ইন্সটল করতে পারবেন। Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল করার পরে আপনি অটোমেটিক ভাবে ৩৬৫ দিনের লাইসেন্স পাবেন মানে আপনি সম্পূর্ণ এক বছরের লাইসেন্স ফ্রিতে পেয়ে যাবেন।

Kaspersky এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে ফ্রী ভার্সনটি এখন আর শো করে না (এখন কেবল পেইড ভার্সনের ট্রায়াল পাবেন), কিন্তু চাইনিজ ভার্সন এখনো তাইওয়ানের অফিসিয়াল ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। আপনি যদি Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি এটি সরাসরি Kaspersky এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট থেকে ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর এটির ইংরেজি ইন্টারফেসেই ব্যবহার করতে পারবেন তাই চিন্তার কোন কারণ নেই। অন্য ভাবে বলতে হলে, এটি ইন্সটল করার পরে আপনি ভাইরাস থেকে ফুল প্রোটেক্টশন পাবেন।

সফটওয়্যার সম্পর্কিত তথ্য

যেভাবে Kaspersky Free Antivirus ইন্সটল করবেন

প্রথম ধাপ

সর্ব প্রথমে, Kaspersky এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট থেকে ইন্সটলার ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিন, আর ইন্সটলার ফাইলটি খুবই ছোট সাইজের, এই পদ্ধতিতে মূলত Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস ফাইলটি ডাউনলোড করে সিঙ্ক্রোনাইজ করে ইন্সটল করে থাকে।

দ্বিতীয় ধাপঃ

Kaspersky ফ্রী ইন্সটলেশন স্ক্রীন ওপেন করতে, ডাউনলোড করা ইন্সটলেশন প্রোগ্রামটিতে ক্লিক করুন। আপনার কম্পিউটারে যদি অন্য কোন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকে তাহলে সেই অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটিকে ডিজেবল বা আনইন্সটল করতে হবে। অন্যথায় এটি ইন্সটল করতে পারবেন না। আর আপনি যদি মাইক্রোসফট এর বিল্ট ইন ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে Kaspersky ইন্সটল করুন। তাহলে উইন্ডোজ ডিফেন্ডারটি অটোমেটিক ভাবে ডিজেবল হয়ে যাবে।

ADs by Techtunes ADs

পেইড ভার্সনের মতো ফ্রী ভার্সনেও আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে আপনি আরও ভালো সিকিউরিটির জন্য Kaspersky Security Network জয়েন করতে চান কিনা। ইন্সটল প্রসেসটি যতক্ষণ না সম্পন্ন হয় ততক্ষণ আপনি আপনার সিকিউরিটি উন্নত করতে এবং স্ক্যানিংয়ের সঠিকতা বাড়াতে বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের ডেটা ব্যবহার করে থাকবেন।

Kaspersky ফ্রী ইন্সটল করতে হলে আপনার ইন্টারনেট কানেক্টশন থাকা লাগবে। কেননা আপনি উপরের স্ক্রিনশট থেকে দেখতে পাচ্ছেন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটির সাইজ প্রায় ১৮৪.৪ মেগাবাইটের। অনেক আগে Kaspersky অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর সাইজ আরও অনেক বেশি ছিল। তাছাড়া অনেক ব্যবহারকারী বলেছিলেন যে, এটি সিস্টেমের পারফর্মেন্সকে কমিয়ে দেয়, তবে লেটেস্ট ভার্সনগুলো সিস্টেম রিসোর্স কম ব্যবহার করে এবং সফটওয়্যার এর সাইজ ও অনেক কম হওয়ায় এই সমস্যাটা এখন আর নেই।

ইন্সটলেশন করা হয়ে গেলে, “Done” বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট না দিয়েই অটোমেটিক ভাবে Kaspersky ফ্রী সফটওয়্যারটা চালু হবে।

তৃতীয় ধাপঃ

আপনি যখন প্রথম বার Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাসটি ওপেন করবেন, তখন আপনার Kaspersky অ্যাকাউন্ট আছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করা হবে। আগে থেকে যদি আপনার কোন Kaspersky অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে সরাসরি লগইন বাটনে ক্লিক করুন আর যদি কোন অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে "Email Box" এ ইমেইল দিয়ে রেজিস্টার কর নিন।

চতুর্থ ধাপঃ

নিচের ছবিটি Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাসের মূল স্ক্রিন। এটি আপনি শুধুমাত্র স্ক্যান এবং ভাইরাস ডাটাবেস আপডেট করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যান্য সার্ভিস যেমনঃ প্রাইভেসি প্রোটেক্টশন, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, এবং অন্যান্য ফাংশনগুলি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রিমিয়াম ভার্সনে আপগ্রেড করতে হবে। এছাড়াও এই সফটওয়্যার এর ভাইরাস কোডটি ম্যানুয়ালি ডাউনলোড হয় না মানে Kaspersky ফ্রী তা অটোমেটিক ভাবে ডাউনলোড করবে।

ADs by Techtunes ADs

Kaspersky ফ্রী ডিফল্ট ভাবে ৩৬৫ দিনের লাইসেন্স প্রদান করবে, এটি চেক করার জন্য স্ক্রিনের নিচের ডান দিকে থাকা "Active" বাটনে ক্লিক করুন। আমার ধারণা ৩৬৫ দিন শেষ হওয়ার আগেই এটি অটোমেটিক ভাবে লাইসেন্স রিনিউ করবে, আর এজন্য কোন অর্থ প্রদান করার প্রয়োজন হবে না, আর তাই আপনারা বিনা দ্বিধায় এটি ব্যবহার করতে পারেন। আর এটি যদি ব্যবহার না করতে চান তাহলে অন্যান্য যেসব ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার রয়েছে তা ব্যবহার করতে পারেন।

পঞ্চম ধাপঃ

আসুন Kaspersky ফ্রী ভার্সনটি কি কি ফিচার প্রদান করছে তা দেখে নেই। এর সুরক্ষা ফিচারের মধ্যে রয়েছেঃ ফাইল অ্যান্টি-ভাইরাস, ওয়েব অ্যান্টি-ভাইরাস, ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং অ্যান্টি-ভাইরাস এবং অ্যান্টি-ভাইরাস প্রটেক্টশন। আর এই ফিচারগুলো অনেক ব্যবহারকারীর জন্য যথেষ্ট। আর এই ফ্রী ভার্সনে ফায়ার ওয়াল ফিচারটি নেই যা অনেক ব্যবহারকারীই ব্যবহার করে থাকে।

ষষ্ঠ ধাপঃ

সবশেষে, আপনি আপনাকে মনে করিয়ে দিয়ে চাই যে, Kaspersky ফ্রিতে একটি সিকিউর ব্রাউজিং (ভিপিএন) টুলস ইন্সটল করবে। আপনি যদি অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারটি ইন্সটল করেন তাহলে আপনি উইন্ডোজ এর টাস্ক বারের হিডেন আইকনে দুটি নতুন আইকন দেখতে পাবেন। আর এই ফিচারটি হটস্পট শিল্ড সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকে। আর এই ফিচারটির দৈনিক ফ্রী ট্র্যাফিক ৩০০ এমবি ব্যবহার করতে পারবেন। আর আপনি চাইলে এই ফিচারটি বন্ধ করেও রাখতে পারবেন।

নিম্নলিখিত কয়েকটি ফ্রী ভিপিএন টুলস আপনারা চাইলে ব্যবহার করে দেখতে পারেনঃ

  1. uProxy ব্যবহার করে আপনার ইন্টারনেট কানেক্টশনকে বডারলেস করতে তুলুন! কানেক্টশন এনক্রিপশন, ব্রেকথ্রু ব্লকিং রেস্ট্রিক্টশন ইত্যাদি ফ্রী টুলস ব্যবহার করতে পারবেন।
  2. Opera 40 ব্রাউজারে বিল্ট ইন ফ্রী আনলিমিটেড ট্র্যাফিক ভিপিএন, IP হাইড (উইন্ডোজ, ম্যাক) করতে পারবেন।
  3. ক্রোম ব্রাউজারের জন্য TunnelBear অ্যাড অন ব্যবহার করে ভিপিএন এনক্রিপশন অফ করতে এবং ডিজেবল করতে পারবেন এবং ১৪ টি দেশের স্প্রিংবোর্ড কানেক্টশন সাপোর্ট করে থাকে।

এছাড়াও, Kaspersky এর অফিসিয়াল ওয়েব সাইট থেকে অনেকগুলি "ফ্রী টুলস" ডাউনলোড করতে পারবেন যেমনঃ Kaspersky VirusDesk (অনলাইন অ্যান্টিভাইরাস), Kaspersky Cleaner (সিস্টেম ক্লিনার টুলস), Kaspersky Security Scan (সিকিউরিটি স্ক্যানিং টুলস) ইত্যাদি আর Kaspersky ফ্রী কে আমরা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসাবে বিবেচনা করতে পারি। তবে এর ফাংশন গুলো পেইড ইন্টারনেট সিকিউরিটি সফটওয়্যার থেকে অনেক কম রয়েছে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রিয়াল টাইম প্রোটেক্টশন এবং পারফর্মেন্স ফ্রিতেই ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর পিছনে টাকা খরচ করতে না চান এবং ফ্রিতে কোয়ালিটি প্রোটেক্টশন পেতে চান তাহলে Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

যে তিনটি কারণে এটি ব্যবহার করবেন

  1. Kaspersky ফ্রী হচ্ছে ক্যাসপারস্কির ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ইন্সটলেশন এর পরে এটি অটোমেটিক ভাবে এনাবেল হয়ে যাবে, ৩৬৫ দিনের ফ্রী লাইসেন্স, বিল্ট ইন বিভিন্ন প্রোটেক্টশন টুলস
  3. আপনাকে কোন কিছু সেট করতে হবে না, পুরোপুরি অটোমেটিক এক্সিকিশন এবং আপনাকে বেস্ট পারফর্মেন্স প্রদান করে থাকে।

শেষ কথা

আপনার কাছে যদি উইন্ডোজ ১০ এর বিল্ট ইন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে ভাল না লাগে আর অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর পিছনে টাকা খরচ করতে না চান এবং ফ্রিতে কোয়ালিটি প্রোটেক্টশন পেতে চান তাহলে Kaspersky ফ্রী অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখতে পারেন, আশা করি ভালো লাগবে।

টিউন জোসস করুন, আমার টিউন শেয়ার করুন, টেকটিউনসে আমাকে ফলো করুন, আপনাদের মতামত জানান

আমি এরকম নিত্যনতুন কাজের সফটওয়্যার নিয়ে টেকটিউনসে হাজির হবো নিয়মিত। তবে সে জন্য আপনার যা করতে হবে তা হলো আমার টেকটিউনস প্রোফাইলে আমাকে ফলো করার জন্য 'Follow' বাটনে ক্লিক করুন। আর তা না হলে আমার নতুন নতুন টিউন গুলো আপনার টিউন স্ক্রিনে পৌঁছাবে না।

ADs by Techtunes ADs

আমার টিউন গুলো জোসস করুন, তাহলে আমি  টিউন করার আরও অনুপ্রেরণা পাবো এবং ফলে ভবিষ্যতে আরও মান সম্মত টিউন উপহার দিতে পারবো।

আমার টিউন গুলো শেয়ার বাটনে ক্লিক করে সকল সৌশল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। নিজে প্রযুক্তি শিখুন ও অন্য প্রযুক্তি সম্বন্ধে জানান টেকটিউনসের মাধ্যমে

ADs by Techtunes ADs
Level 6

আমি রায়হান ফেরদৌস। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 6 বছর 11 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 99 টি টিউন ও 110 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 33 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস